×
মাগুরা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ভাতের ভিটা হজরত মোকাররম আলী শাহ (র:) এর দরগাহ ইছাখাদা নীলকুঠি সিদ্ধেশ্বরী মঠ শত্রুজিৎপুর মদনমোহন মন্দির নেংটা বাবার আশ্রম ও মন্দির রাজা সীতারাম রায়ের রাজপ্রাসাদ দ্বারিয়াপুর পীরের মাজার কাজী কাদের নেওয়াজ-এর বাসভবন শ্রীপুর জমিদার বাড়ী বিরাট রাজার রাজধানীী তালখড়ি জমিদার বাড়ি ও লোকনাথ আশ্রম
☰ মাগুরা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
ভাতের ভিটা

পরিচিতি

ভাতের ভিটা স্থানটি দেখতে টিলার মত। কিংবদন্তি এই যে-কোন এক অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী দরবেশ রাতের বেলা এই পথে ভ্রমণের সময় এখানে এসে মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন। নির্মাণ কাজে নিয়োজিতদের জন্য ভাত রাধা যখন শেষ নির্মাণ কাজ তখনও শেষ হয়নি। এর মধ্যে ভোরের পাখ-পাখালীর কূঞ্জনে মুখরিত হয়ে ওঠে রাতের নিস্তব্ধতা। নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত রেখে দরবেশ চলে যান। ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারি এলাকায় দিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে বুঝতে পারেন রাত তখনো শেষ হয়নি। সেখানে তখন নতুন করে একটি মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন এবং সেখানেই নামাজ আদায় করেন। এদিকে রাত শেষে লোকজন দেখতে পায় এখানে গ্রামের মধ্যে অসমাপ্ত মসজিদ, রান্না করা ভাত আর ভাতের ফ্যান গড়িয়ে পাশে পুকুরের মত তৈরী হয়েছে। সেই থেকে উঁচু টিলার নাম হয় ভাতের ভিটা। যেখানে ফ্যান গড়িয়ে পুকুরের মত হয়েছে তার নাম দেয়া হয় ফ্যানঘালী পুকুর। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ২০০৩-০৪ সালে খনন করে এটি আবিষ্কার করেন। এতে মোট ৯টি কক্ষ আবিষ্কৃত হয়েছে। এটি একটি গুপ্ত যুগের বৌদ্ধ মন্দিরের ধ্বংসস্তুপ। ধারণা করা হয় রাজা ২য় চন্দ্রগুপ্ত ৪র্থ শতকের শেষার্ধে বা ৫ম শতকের শুরুতে এটি নির্মাণ করেন।


অবস্থান ও যাতায়াত

মাগুরা সদর উপজেলা হতে প্রায় ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে মঘি ইউনিয়নের টিলা গ্রামে অবস্থিত এই ভাত ভিটা। মাগুরা শহর থেকে যশোর রোড ধরে যাত্রিবাহি যেকোন পরিবহনে যাওয়া সম্ভব। তাছাড়া অটো টেম্পু / ভ্যানযোগেও সেখানে পৌঁছনে যেতে পারে। সময়: ২০ থেকে ৩০ মিনিট। [তথ্য: Triple zero one- 0001 ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহিত, প্রয়োজনে ফোন করুন- আবু বাসার আখন্দ- ০১৭১৬২৩২৯৬২ (সাংবাদিক)]


Total Site Views: 848335 | Online: 12