×
সাতক্ষীরা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

কপোতাক্ষ নদ সাতক্ষীরার দর্শনীয় নলতা শরীফ ঐতিহাসিক গির্জা গুনাকরকাটি মাজার জোড়া শিবমন্দির তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ শ্যামসুন্দর মন্দির সোনাবাড়িয়া মঠ মন্দির লিমপিড বোটানিক্যার গার্ডেন রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র ঐতিহাসিক বনবিবি বটতলা দেবহাটা জমিদার বাড়ী টাকীর ঘাট (ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চিহ্নিত ইছামতি নদীর তীরে) ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চিহ্নিত ইছামতি নদী মোজাফফর গার্ডেন এন্ড রিসোর্ট মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সাত্তার মোড়লের স্বপ্নবাড়ি প্রবাজপুর মসজিদ সাতক্ষীরার গুড়পুকুরের মেলা ঈশ্বরীপুর হাম্মাম খানা/ হাবসিখানা রায় বাহাদুর হরিচরণ চৌধুরীর জমিদার বাড়ি রেজওয়ান জমিদারের বাড়ি ও তেতুলিয়া শাহী মসজিদ বনবিবির বটগাছ আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার খান বাহাদুর কাজী সালামতুল্লা শাহী জামে মসজিদ সুকান্ত ঘোষ স্মরণে স্মৃতিসৌধ
☰ সাতক্ষীরা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
বনবিবির বটগাছ

পরিচিতি

গ্রাম বাংলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক রকম বৈচিত্র, আমরা অনেকে সেগুলো মন থেকে উপলব্ধি করি, অনেকেই বা করিনা। হয়তোবা সময়ের অভাব কিংবা মনের অনিচ্ছার কারণে। তবে ইচ্ছা অনিচ্ছা যাই হোক না কেন, জঙ্গল এবং গাছ প্রিয় ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের জন্য আজকের এই লেখা, আমরা হয়তোবা অনেকেই শুনেছি সাভার ধামরায় এর বটগাছের কথা, অনেকেই গিয়েছি, আমি নিজেও গিয়েচি, গাছটা আসলেই অনেক বড়। আরো একটি বটবৃক্ষ লক্ষ্য করা যাই ঝিনায়দাহ জেলায় যেটা এখন বাংলাদেশের সব থেকে বড় বট বৃক্ষ এবং এশিয়া মহাদেশের সব থেকে প্রাচিন তম বট বৃক্ষ নামে পরিচিত। যেটার বয়স আনুমানিক প্রায় ২৫০-৩০০ বছর।

এক দেওয়ালের গায়ে গাছটি জন্মালেও মূল গাছটি মরে যাই এবং এটি ৪৫ টি ভিন্ন ভিন্ন গাছে প্রায় ২ একর জায়গা জুড়ে বিস্তীর্ণ।এটির ৩৪০+বায়বীয় মূল মাটির ভিতরে প্রবেশ করেছে এবং ৪০+ঝুলন্ত অবস্থায় বিদ্যমান।কিন্তু এসবের পরেও যে বাংলাদেশে একক বৃক্ষ হিসেবে বড় বট বৃক্ষ আছে সেটা আপনি সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলায় না গেলে বা স্বচক্ষে না দেখলে বুঝতে পারবেন না।

সাতক্ষীরা দেবহাটা থানা এবং ইচামতি নদীর ঠিক ১ বা ১.৫ কিঃমিঃ আগে এর অবস্থান। স্থানীয় লোকের ভাষাই এটি বন বিবির বট গাছ নামে পরিচিত। এই একক গাছটি প্রায় ২ বিগা জাইগার উপরে বিস্তৃত। বয়স আনুমানিক ১৪০-১৭০ বছর এটির প্রায় ২০০+বায়বীয় মূল মাটির ভিতরে প্রবেশ করেছে।এবং অসংখ মূল ঝুলন্ত অবস্থায়।বিভিন্ন এলাকা থেকে এই বটগাছ দেখতে মানুষ ভিড় জমায়। সারাদিন এই গাছে কোকিল সহ অন্যান্য পাখির ডাকে আপনি মুগ্ধ হয়ে হাবেন। [আজিজুল ইসলাম]

অবস্থান ও যাতায়াত

#যাতায়াতঃ দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে সাতক্ষীরা শ্যামনগর রোডের সখিপুর নামক জাইগাই নামুন এটিই মেইন রোড।ঢাকা থেকে আসতে চাইলে সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস, সংগ্রাম পরিবহন, একে ট্রাভেলস, এস্পি গোল্ডেন লাইন, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, কে লাইন, ঈগল পরিবহন, এই সমস্ত গাড়িতে শ্যামলী বা গাবতলি থেকে উঠে পড়ুন ভাড়া পড়বে ৫০০/৫৫০ টাকা চেয়ার এবং এসিতে ১২০০/১৫০০ টাকা।

#যশোর থেকে আসে চাইলে যশোর চাচড়া মোড় থেকে সাতক্ষীরা বাস টার্মিনাল ৭০ টাকা সেখান থেকে মাহেন্দ্রা বা বাসে সখিপুর ২৫/৩০ টাকা।

#খুলনা থেকে সাতক্ষীরা ৯০ টাকা, সেখান থেকে মাহেন্দ্রা বা বাসে সখিপুর ২৫/৩০টাকা। সখিপুর নামার পরেই দেখবেন রাস্তার উল্টা পাশে দেবহাটা উপজেলার রাস্তা চলে গেছে, সেখানে বাইক, ইঞ্জিন চালিত ভ্যান, নছিমন এগুলো পাবেন দিনের সব সময়।ভাড়া বাইক এ ২০ টাকা জন প্রতি এবং ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে বা নছিমনে ১০ টাকা দিয়ে চলে যাবেন বনবিবির বটগাছ।


Total Site Views: 996082 | Online: 8