×
সাতক্ষীরা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

কপোতাক্ষ নদ সাতক্ষীরার দর্শনীয় নলতা শরীফ ঐতিহাসিক গির্জা গুনাকরকাটি মাজার জোড়া শিবমন্দির তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ শ্যামসুন্দর মন্দির সোনাবাড়িয়া মঠ মন্দির লিমপিড বোটানিক্যার গার্ডেন রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র ঐতিহাসিক বনবিবি বটতলা দেবহাটা জমিদার বাড়ী টাকীর ঘাট (ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চিহ্নিত ইছামতি নদীর তীরে) ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চিহ্নিত ইছামতি নদী মোজাফফর গার্ডেন এন্ড রিসোর্ট মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সাত্তার মোড়লের স্বপ্নবাড়ি প্রবাজপুর মসজিদ সাতক্ষীরার গুড়পুকুরের মেলা ঈশ্বরীপুর হাম্মাম খানা/ হাবসিখানা রায় বাহাদুর হরিচরণ চৌধুরীর জমিদার বাড়ি রেজওয়ান জমিদারের বাড়ি ও তেতুলিয়া শাহী মসজিদ বনবিবির বটগাছ আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার খান বাহাদুর কাজী সালামতুল্লা শাহী জামে মসজিদ সুকান্ত ঘোষ স্মরণে স্মৃতিসৌধ
☰ সাতক্ষীরা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
খান বাহাদুর কাজী সালামতুল্লা শাহী জামে মসজিদ

পরিচিতি

বিশেষকরে এ‌ তেঁতুলিয়া উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামটি নানা কারণে খ্যাত। এই গ্রামে ১০০ গজের মধ্যে ‘তেঁতুলিয়া শাহী মসজিদ’ ও ‘তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ’ নামে দুটো ঐতিহাসিক মসজিদ আছে । এরমধ্যে ‘তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ’টি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংস্কারের ফলে অনেকটা ভালো অবস্থায় টিকে আছে । অসাধারণ কারুকাজ আর পুরাতন ঐতিহ্য হিসেবে এখনো দাঁড়িয়ে আছে এই তেতুলিয়া শাহী মসজিত। এটি মুসলিম স্থাপত্য শিল্পের অনন্য নিদর্শন। প্রতিষ্ঠাতাঃ প্রায় ৩০০ বছরের পুরাতন এই মসজিদটি নির্মান করেন, সালাম মনজিলের প্রতিষ্ঠাতা ব্রিটিশ সরকারের সহকারি ম্যাজিস্ট্রেট জমিদার কাজি সালামতুল্লাহ। নির্মান সময়ঃ ১৮১৪-১৮১৫ সালের দিকে।

তবে কথিত আছে এটি নির্মান কাজ শুরু এবং শেষ হয় ১৮৫৮-১৮৫৯, #গঠন_বর্ননাঃ মসজিদটির ছাদ ১২ টি পিলারের উপরে দাঁড়িয়ে আছে, প্রবেশের জন্য রহেছে ৭ টি দরজা।এবং দরজার উপরে রঙ্গিন কাচের কারুকাজ রহেছে। চুন শুরকি ও চিটা গুড়ের গাথুনীতে তৈরি মসজিদটিতে ৬ টি বড় গম্বুজ ও ১৪ টি মিনার রহেছে।মসজিদটি মোটামুটি বেশ বড়।এর ভিতরে প্রায় ৩০০+এবং বাহিরে প্রায় ১৫০+লোক একসাথে নামাজ আদায় করতে পারে। এর সামনে রহেছে বড় একটি পুকুর।

অবস্থান ও যাতায়াত

সাতক্ষীরা তালা উপজেলার তেতুলিয়ার কবি সিকান্দার আবু জাফর সড়কের পাশে।


Total Site Views: 960500 | Online: 8