×
সাতক্ষীরা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

কপোতাক্ষ নদ সাতক্ষীরার দর্শনীয় নলতা শরীফ ঐতিহাসিক গির্জা গুনাকরকাটি মাজার জোড়া শিবমন্দির তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ শ্যামসুন্দর মন্দির সোনাবাড়িয়া মঠ মন্দির লিমপিড বোটানিক্যার গার্ডেন রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র ঐতিহাসিক বনবিবি বটতলা দেবহাটা জমিদার বাড়ী টাকীর ঘাট (ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চিহ্নিত ইছামতি নদীর তীরে) ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চিহ্নিত ইছামতি নদী মোজাফফর গার্ডেন এন্ড রিসোর্ট মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সাত্তার মোড়লের স্বপ্নবাড়ি প্রবাজপুর মসজিদ সাতক্ষীরার গুড়পুকুরের মেলা ঈশ্বরীপুর হাম্মাম খানা/ হাবসিখানা রায় বাহাদুর হরিচরণ চৌধুরীর জমিদার বাড়ি রেজওয়ান জমিদারের বাড়ি ও তেতুলিয়া শাহী মসজিদ বনবিবির বটগাছ আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার খান বাহাদুর কাজী সালামতুল্লা শাহী জামে মসজিদ সুকান্ত ঘোষ স্মরণে স্মৃতিসৌধ
☰ সাতক্ষীরা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
জোড়া শিবমন্দির

পরিচিতি

সাতক্ষীরা শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার উত্তরে আছে ‘ছয়ঘরিয়া জোড়া শিবমন্দির, নানা বৈচিত্র্যের টেরাকোটা ইটে নির্মিত ‘ছয়ঘরিয়া জোড়া শিবমন্দির, । ১২২০ বঙ্গাব্দের ১ বৈশাখ মন্দিরদুটো নির্মাণ করেছিলেন ফকিরচাঁদ ঘোষ । দুটো মন্দিরই বর্গাকৃতি ১৫ফুট-৯ইঞ্চি এবং ১৫ফুট-৯ইঞ্চি মাপের । মন্দির দুটোর বিশেষত্ব হলো এর গায়ের টেরাকোটাগুলো বৈচিত্রময় । ফুল, লতা-পাতা, পরি, বাদক, অশ্বারোহী, দেবদেবী, হসিত্মরোহী ইত্যাদি চিত্রের এ টেরাকোটার কারণে পর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে । বর্তমানে মন্দির দুটো পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে, তবে কমতি নেই দর্শনার্থীর । সাতক্ষীরা জেলায় যতগুলো টেরাকোটা শিল্প আছে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ টেরাকোটার কাজ এই ‘ছয়ঘরিয়া জোড়া শিবমন্দির’-এ ।


অবস্থান ও যাতায়াত

রয়োজনীয় তথ্য শহর থেকে আনুমানিক দুরত্ব ৮ কিলোমিটার। রাস্তার নাম ছয়ঘড়িয়া সড়ক। স্পটে পৌছানোর ব্যয় ২০ টাকা। ভ্রমণের জন্য পাওয়া যায় বাস/রিকসা/ ভ্যান।


Total Site Views: 960457 | Online: 6