×
কক্সবাজার জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

মাহাসিংদোগ্রী বৌদ্ধ মন্দিরের ঐতিহাসিক পটভূমি পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার বড়ঘোপ সমূদ্র সৈকত চৌফলদন্ডী-খুরুশকুল সংযোগ সেতু কাকারা শাহওমর মাজার মনোমুগ্ধকর গোলাপ বাগান চিংড়ি রপ্তানি জোন বার্মিজ মার্কেট মাতামুহুরী নদী মগনামা ঘাট ইনানী সি বীচ কানা রাজার সুড়ঙ্গ আদিনাথ মন্দির বরইতলী মৎস্য খামার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রাডার স্টেশন হিমছড়ি রামকোট বৌদ্ধ বিহার লামারপাড়া বৌদ্ধবিহার রাবার বাগান ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক মথিনের কূপ সেন্টমাটিন প্রবালদ্বীপ ছেঁড়াদ্বীপ, সেন্টমার্টিন, টেকনাফ মহেশখালী জেটি সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী কুতুবদিয়া বাতিঘর বড় রাখাইন পাড়া বৌদ্ধ মন্দির লিডারশীপ ইউনিভার্সিটি কলেজ ট্রি এডভেঞ্চার -মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান। হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান
☰ কক্সবাজার জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
কানা রাজার সুড়ঙ্গ

পরিচিতি

জানা গেছে, সুড়ংগটি এতই বড় ছিল যে, অনায়াসে একটি ট্রাক ঢুকে যেত। সুড়ংগে ঢুকার মুখের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ছিল ১২ ফুট করে। প্রাকৃতিক বৈচিত্রময় সুড়ংগ ছিল এটি। এই সুড়ংগের দৈর্ঘ্য এতো গভীর ছিল যে কেউ এর শেষ দেখেনি। বেশ কয়েক বৎসর আগেও এই সুড়ংগ দর্শন করার জন্য স্থানীয় ও পর্যটকের সমাগম ঘটতো। কথিত আছে, জনৈক মগ সম্প্রদায়ের একচোখ অন্ধ একজন রাজা ছিলেন। এক চোখ অন্ধ বলে একে কানা রাজা ডাকা হতো। তিনি তাঁর শাসন আমলে আত্মরক্ষার জন্য সুড়ংগটি নির্মাণ করেছিলেন। সেই থেকে এটি কানা রাজার সুড়ংগ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে এবং খ্যাতি লাভ করে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উখিয়ার জালিয়াপালংয়ের পাটুয়ারটেক এলাকার সড়কের পূর্ব পার্শ্বে ঠাই দাঁড়িয়ে আছে কানা রাজার সুড়ংগ বিলুপ্ত একটি পাহাড়। স্থানীয়রা এটাকে নিদানিয়া পাহাড় হিসেবে চিনে। সড়ক থেকে মাত্র ১৫-২০ গজ ভিতরে। সুড়ংগের কাছে গেলেও চেনার কোন উপায় নেই সুড়ংগটি পূর্বে কোন জায়গায় ছিল। এটি ইতিহাস বহন করলেও কোন জায়গায় ছিল এমন কোন নির্দেশনা বা চিহ্ন দেয়া হয়নি সরকারিভাবে। সুড়ংগটি লতা-পাতায় ঘেরা। পাহাড়ের ঢলে এটির মুখ ভরে গেছে।


অবস্থান ও যাতায়াত

কক্সবাজার শহর হইতে ২৫ কিলোমিটার এবং উখিয়া থেকে ১৩ কিলোমিটার, যে কোন গাড়ী নিয়ে য়াওয়া যায়। উখিয়া উপজেলা হতে সিএনজি এবং রিক্সা নিয়ে যাওয়া যায়। উখিয়া ১৩ কিলোমিটার।


Total Site Views: 774105 | Online: 10