×
কক্সবাজার জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

মাহাসিংদোগ্রী বৌদ্ধ মন্দিরের ঐতিহাসিক পটভূমি পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার বড়ঘোপ সমূদ্র সৈকত চৌফলদন্ডী-খুরুশকুল সংযোগ সেতু কাকারা শাহওমর মাজার মনোমুগ্ধকর গোলাপ বাগান চিংড়ি রপ্তানি জোন বার্মিজ মার্কেট মাতামুহুরী নদী মগনামা ঘাট ইনানী সি বীচ কানা রাজার সুড়ঙ্গ আদিনাথ মন্দির বরইতলী মৎস্য খামার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রাডার স্টেশন হিমছড়ি রামকোট বৌদ্ধ বিহার লামারপাড়া বৌদ্ধবিহার রাবার বাগান ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক মথিনের কূপ সেন্টমাটিন প্রবালদ্বীপ ছেঁড়াদ্বীপ, সেন্টমার্টিন, টেকনাফ মহেশখালী জেটি সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী কুতুবদিয়া বাতিঘর বড় রাখাইন পাড়া বৌদ্ধ মন্দির লিডারশীপ ইউনিভার্সিটি কলেজ ট্রি এডভেঞ্চার -মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান। হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান
☰ কক্সবাজার জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
সেন্টমাটিন প্রবালদ্বীপ

পরিচিতি

সেন্টমার্টিন্‌ দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবাল দ্বীপ। প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। এ দ্বীপের মানুষদের জীবিকার প্রধান উৎস মাছ ধরা। এছাড়া ধান চাষ, নারিকেল এবং প্রচুর পরিমানে শেওলা পাওয়া যায়। সেন্টমার্টিনে ছেঁড়াদ্বিপ নামে একটি সংযোযিত অংশ রয়েছে। ছেঁড়াদ্বিপে কোন লোকজন বসবাস করে না। তাই ভ্রমনপিপাশুদের খুব সকালে এখানে যাএা করতে হয় যেন তারা সন্ধা হবার পূর্বেই হোটেলে ফিরে আসতে পারে। সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় পর্যটন স্থানে পরিণত হয়েছে। দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের জন্য এখানে চালু করা হয়েছে ৫ টি শিপিং লাইন্স -শহিদ শের নিয়াবাদ, এল সি টি কুতুবদিয়া, ঈগল, ক্রিয়ারি ক্রুজ, ডাইন এবং ক্রিয়ারি সিনবাদ ।


অবস্থান ও যাতায়াত

এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।

ঢাকা থেকে সেন্টমার্টিন যেতে প্রায় ১২ ঘন্টা সময় লাগে। ঢাকা থেকে টেকনাফ (বাস ভাড়া ৯০০ থেকে ২৩৫০ টাকা জনপ্রতি)। প্রতিদিন সকাল ৯.৩০ এর মধ্যে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনের উভিমুখে সব গুলা জাহাজ ছেড়ে দেয়(ভাড়া ৬০০ এর মত জাওয়া আসা সহ)। টেকনাফ টু সেন্টমার্টিন আড়াই ঘন্টার পথ যেকোনো মানুষকে অন্য রকম এক জগতে নিয়ে যাবে পুরা নাফ নদী তে স্বাগত জানাবে সি গাল। ট্রলারেও জাওয়া যায় (ভাড়া ১৫০-২০০ জনপ্রতি)। তবে ট্রলারে জাওয়া বিপদজনক, অবস্যই লাইফ জ্যাকেট নিয়ে জাওয়া উচিত। সেন্টমার্টিনে থাকার হোটেল ৬০০ থেকে ৬০০০ এর মধ্যে পাওয়া যায়। কিছু হোটেল পরিচিতি-( ১।হোটেল ব্লু মেরিন এর রুমভাড়া ২,৫০০-৩,৫০০ টাকা , যোগাযোগঃ ০১৭১৩-৩৯৯০০০ (ঢাকা), ০১৭১৩-৩৯৯২৫০ (সেন্টমার্টিন) ২। নীল দিগন্তে রিসোর্ট রুমভাড়া ২,০০০-৪,৫০০ টাকা, যোগাযোগঃ ০১৭৩০-০৫১০০৫, ০১৭৩০-০৫১০০৬ ৩। সী ভিউ রিসোর্ট এন্ড স্পোর্টস এর প্রতি রুমের ভাড়া ১,২০০-৩,০০০ টাকা, যোগাযোগঃ ০১৮৪০-৪৭৭৭০৭ (ঢাকা), ০১৮৪০-৪৭৭৯৫৬ (সেন্টমার্টিন) ৪। লাবিবা বিলাস রিসোর্ট এর রুমভাড়া ১,৬০০-৪,০০০ টাকা, যোগাযোগঃ ০১৭৪৪-১৩৬১৪৫ (ঢাকা), ০১৮৩৪-২৬৭৯২২ (সেন্টমার্টিন) ৫। হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইজ প্রতিটি রুমের ভাড়া ২,০০০-৪,০০০ টাকা, যোগাযোগঃ ০১৫৫৬-৩৪৭৭১১ ৬। হোটেল সী ইন এর প্রতিটি রুমের ভাড়া ২,০০০-৩,৫০০ টাকা, যোগাযোগঃ ০১৭২২-১০৯৬৭০, ০১৭৩৫-৫৮১২৫১, ০১৭৭৫-০১১২০৮ ৭। সীমানা পেরিয়ে রিসোর্ট এর ভাড়া ১,৫০০-২,৫০০ টাকা, যোগাযোগঃ ০১৯১১-১২১২৯২, ০১৮১৯-০১৮০২৭ ৮। কোরাল ভিউ রিসোর্ট এর রুমপ্রতি ভাড়া ২,৫০০ টাকা থেকে শুরু। ৬,০০০ টাকার রুমও আছে, যোগাযোগঃ ০১৯৮০-০০৪৭৭৭, ০১৯৮০-০০৪৭৭৮)।

খাবারের অনেক গুলো হোটেল আছে। এগুলার মধ্যে সামুদ্রিক বিভিন্ন্য প্রজাতির মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি (লবস্টার) পাওয়া যায়। সাইকেল চালানোর ইচ্ছা থাকলে ঘন্টা প্রতি ৪০ টাকা দিয়ে ভাড়া নেওয়া যায়। সাইকেল চালিয়ে পুরা সেন্টমার্টিন ঘুরে দেখা যায়। এখানকার নারিকেল অনেক ভাল, প্রতিটা ৪০-৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। প্রতিবেলা খাবারের জন্য খরচ করতে হয় ১২০-২০০ টাকা। সেন্টমার্টিন জেটি থেকে ছেরাদ্বীপ যাওয়ার লাইফ বোট ৩০০ টাকা  এবং ট্রলার ১৫০ টাকায় পাবেন, যেতে সময় লাগে ৩০ মিনিট। বিকাল ৩ টায় টেকনাফের দিকে সব জাহাজ যাত্রা শুরু করে। 


Total Site Views: 642041 | Online: 4