×
কক্সবাজার জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

মাহাসিংদোগ্রী বৌদ্ধ মন্দিরের ঐতিহাসিক পটভূমি পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার বড়ঘোপ সমূদ্র সৈকত চৌফলদন্ডী-খুরুশকুল সংযোগ সেতু কাকারা শাহওমর মাজার মনোমুগ্ধকর গোলাপ বাগান চিংড়ি রপ্তানি জোন বার্মিজ মার্কেট মাতামুহুরী নদী মগনামা ঘাট ইনানী সি বীচ কানা রাজার সুড়ঙ্গ আদিনাথ মন্দির বরইতলী মৎস্য খামার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রাডার স্টেশন হিমছড়ি রামকোট বৌদ্ধ বিহার লামারপাড়া বৌদ্ধবিহার রাবার বাগান ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক মথিনের কূপ সেন্টমাটিন প্রবালদ্বীপ ছেঁড়াদ্বীপ, সেন্টমার্টিন, টেকনাফ মহেশখালী জেটি সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী কুতুবদিয়া বাতিঘর বড় রাখাইন পাড়া বৌদ্ধ মন্দির লিডারশীপ ইউনিভার্সিটি কলেজ ট্রি এডভেঞ্চার -মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান। হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান
☰ কক্সবাজার জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
বরইতলী মৎস্য খামার

পরিচিতি

দারিদ্র বিমোচন, বেকার সমস্যা সমাধান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম দাবিদার মৎস্য চাষ। সখের বশত মৎস্য চাষ সর্বপ্রথম বরইতলীতে ১৯৮৪ সালে কুমিল্লা হতে ২৫০ বড় নাইলেটিকা মাছ এন প্রাকৃতিক ভাবে জর্দাঘোনায় দুই একর জমিতে পোনা উৎপাদনের কাজ শুরু করেছিলেন। তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য জনাব এ.এইচ সালাহ উদ্দিন মাহমুদ। সেই প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত পোনা রসুলাবাদেরজনাবহাশেম উদ্দিন, উত্তর বরইতলীর জনাব জাহাঙ্গীর সাহেব সহ অনেকে কিনে নিয়ে মাছ চাষের প্রসার শুরু করেছিলেন। বিশেষ করে ১৯৮৭ সালে হতে বাণণীর্জকভাবে সনাতন পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করা হলে ও ১৯৯০ দশকে এরব্যাপক প্রসার ঘটে এবং ২০০০ সালের পর আধা-আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের এক বিপ্লব সংঘটিত হয় বরইতলীতে। অনুসন্ধানে জানা যায় বর্তমানে বরইতলী এবং নিকটবর্তী এলাকায় প্রায় ২৩১ একর জমিতে আধা-আধুনিক পদ্ধতিতে মিক্সার চাষ হচ্ছে। এই মাছ চাষের সাথে সম্পৃক্ত মনোসেক্স হ্যাচারীতে ও পোনা উৎপাদন শুরু হয়েছে। একই সাথে চার ব্যবসায়ীর মালিকানাধীনে ফিশ-ফিড ব্যবসা পুরোদমে চলছে। সব ব্যবসা মিলে বছরে প্রায় এক কোটি ৭৩ (তিয়াত্তর) লক্ষ টাকা আয় হচ্ছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে ৫০০ জন শ্রমিক। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে ফিশ-ফিডের চাহিদা বেশি হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সরকারী কর্মকর্তাদের দৃষ্টির আড়ালে খাবারের দাম বৃদ্ধি করেছে কোম্পনীরা যা মোট উৎপাদন খরচের ৬৫% । তাছাড়া ঐ ফিশ-ফিড কোম্পানী তাদের খাবারের গুণগত মান ও কমিয়য়েছে বলে মাছ চাষীদের অীভযোগ রয়েছে। মাছ চাষীদের সাথে আলাপে জানা যাযা অধিকাংশ চাষীর কোন ট্রেনিং নেই। উপজেলা মৎস কর্মকর্তা কয়েকবার সেমিনারের মাধ্যমে কিছু পরমর্শ দিলেও তা কৃষকদের চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। কৃষি কর্মকর্তা মাছাচাষীদের বাস্তবতা অনুসারে পরামর্শ দিতে অক্ষম বলে ও অনেকের ধারনা। তাছাড়া সম্প্রতি তেলাপিয়া মাছের এক ধরনের রোগ সৃষ্টি হয়েছে যেটিতে আক্রান্ত হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকায় মাছ মরে যাচ্ছে। চাষীদের ধারনা আবহাওয়া বদল হওয়ার সময় কিংবা পানির তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রী এর বেশি হলে এ রোগের প্রাদুর্ভাব হয়। ব্যাপক চেষ্টা সত্বেও এ রোগের চিকিৎৎসা এখনো চাষীদের অজানা রয়েছে। তাছাড়া বর্ষার সময় সোনাইছড়ি খালের ভাঙ্গন, পাহাড়ী ঢল, মাতামুহুরী নদীর পানি বন্যার সময় উজানে আসা, স্থানীয় কিচু দুষ্কৃতিকারী কৃর্তক পুকুরে বিষ প্রয়োগ, আধুনিক কলাকৌশল ও প্রযুক্তির অভাব। এসক কারণে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি গুনতে হচ্ছে বলে মাছ চাষীদের অভিমত। এতদসত্ত্বেও বর্তমানে জনাব এ.এইচ সালাহউদ্দিন মাহমুদ, জনাব হাশেম উদ্দিন, জনাব ছালেকুজ্জামান, জনাব আনছারুল ইসলাম, জনাব আফছারুজ্জামান, জনাব শাহীন মুরাদ, জনাব নুরুল কবির চৌধুরী, জনাব ছদরুল আমিন চৌধুরী, জনাব লুৎফুর রহমান, জনাব এনামুল হক, জনাব নাসির উদ্দিন, জনাব মো: আবু তালেব, জনাব মঈনুল ইসলাম, জনাব সাইফুল ইসলাম, জনাব এমরানুলহক, জনাব নজরুল ইসলাম, জনাব নেজামুল ইসলাম, জনাব মওলানা খলিল উদ্দিনসহ প্রায় চল্লিশজন মাছচাষী বরইতলীতে মাছের ব্যবসা চালাচ্ছেন। চকরিয়ার মিঠা পানির মাছের মোট চাহিদার ৬৫% বরইতলীর উৎপাদিত মাছ দ্বারা পূরণ হচ্ছে বলে চাষীদের অভিমত।


বরইতলী ইউনিয়ন | বরইতলী ইউনিয়ন একতাবাজারের পশ্চিম পাশে অবস্থিত।


Total Site Views: 846674 | Online: 6