×
কক্সবাজার জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

মাহাসিংদোগ্রী বৌদ্ধ মন্দিরের ঐতিহাসিক পটভূমি পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার বড়ঘোপ সমূদ্র সৈকত চৌফলদন্ডী-খুরুশকুল সংযোগ সেতু কাকারা শাহওমর মাজার মনোমুগ্ধকর গোলাপ বাগান চিংড়ি রপ্তানি জোন বার্মিজ মার্কেট মাতামুহুরী নদী মগনামা ঘাট ইনানী সি বীচ কানা রাজার সুড়ঙ্গ আদিনাথ মন্দির বরইতলী মৎস্য খামার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রাডার স্টেশন হিমছড়ি রামকোট বৌদ্ধ বিহার লামারপাড়া বৌদ্ধবিহার রাবার বাগান ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক মথিনের কূপ সেন্টমাটিন প্রবালদ্বীপ ছেঁড়াদ্বীপ, সেন্টমার্টিন, টেকনাফ মহেশখালী জেটি সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী কুতুবদিয়া বাতিঘর বড় রাখাইন পাড়া বৌদ্ধ মন্দির লিডারশীপ ইউনিভার্সিটি কলেজ ট্রি এডভেঞ্চার -মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান। হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান
☰ কক্সবাজার জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
রাডার স্টেশন

পরিচিতি

"বৈদেশিক উন্নয়ন চুক্তির আওতায় জাপানের সহায়তায় কক্সবাজারে একটি নবনির্মিত রাডার স্টেশন রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবন হওয়ায় বাংলাদেশকে বলা হয়ে থাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ। এদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ বন্যা, ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, খরা, বর্ষার আগে ও পরের মঙ্গা ইত্যাদি। যেহেতু প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় তাই রাডার স্টেশনের পূর্বাভাসের মাধ্যমে দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। ১৯৮৭ সাল থেকে জাপান এদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের সময় দুর্যোগ মোকাবেলায় সাহায্য প্রদানের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে চলেছে। ১৯৮৭ সালে এরই অংশ হিসেবে জাপান কক্সবাজার ও খেপুপাড়ায় অবস্থিত দুটি রাডারকে অত্যাধুনিক এস-ব্যাণ্ড রাডারের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত করে। ২০০৪ সালে দুটি রাডারই অকেজো হয়ে পরায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের পক্ষে সমুদ্রে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। নতুন প্রকল্পের আওতায় এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন রাডার স্টেশন স্থাপনের লক্ষ্যে জাইকাকে প্রাথমিক নকশা প্রণয়নের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।"


অবস্থান ও যাতায়াত

হিলোটপ সার্কিট হাউজের পাশে | সড়ক পথে


Total Site Views: 995930 | Online: 3