×
কুমিল্লা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

বায়তুল আজগর জামে মসজিদ নূর মানিকচর জামে মসজিদ কবি তীর্থ দৌলতপুর গোমতী নদী ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রি ধর্মসাগর দিঘি বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বার্ড, কুমিল্লা রানী ময়নামতির প্রাসাদ বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড কুমিল্লার জাহাপুর জমিদার বাড়ি রাজেশপুর বন বিভাগের পিকনিক স্পট নবাব ফয়জুন্নেছার পৈতৃক বাড়ি বিজয়পুরের মৃৎশিল্প লালমাই পাহাড় মহাতীর্থ, চন্ডীমুড়া মন্দির শালবন বৌদ্ধ বিহার ময়নামতি জাদুঘর নব শালবন বিহার বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন রূপবান মুড়া ও বিহার ইটাখোলা মুড়া ৪০০ বছরের পুরোনো জগন্নাথ দেবের মন্দির
☰ কুমিল্লা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
নব শালবন বিহার

পরিচিতি: 

কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় প্রায় আড়াই একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নব শালবন বিহার। চোখ ধাঁধানো এই স্থাপনাটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি উপাসনালয়।

কুমিল্লার নব শালবন বিহার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বিহার বা শান্তি প্যাগোডা। নব শালবন বিহারের প্রবেশ দ্বার হতেই বা দিকে রয়েছে সোনালী রঙ এর টন ওজনের ৩০ ফুট উচ্চতার বিশাল প্রার্থনারত বৌদ্ধের মূর্তি। মূর্তির পাশে রয়েছে গর্জনরত দুইটি সিংহ। এছাড়া চারপাশে দাড়িয়ে আছে টি বড় টি ছোট্ট সোনালী মোটক। পুরো মন্দিরটাই নানা রকম শৈল্পিক কারুকার্যখচিত।

ধাতব পদার্থের তৈরি দৃষ্টিনন্দন এই মূর্তিটি থাইল্যান্ডের একটি বৌদ্ধ ধর্মীয় ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নব শালবন বিহারকে উপহার হিসেবে দেয়া হয়। ২০১৪ সালের ১৫ আগস্ট স্থাপন করা এই মূর্তিটি অনেক দূর থেকেই পরিলক্ষিত হয়।

নব শালবন বিহার বাংলাদেশ বুদ্ধিষ্ট কালচারাল একাডেমি ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিহারকে ঘিরে দেশ বিদেশ হতে পর্যটকদের পাদচারণা রয়েছে। মন্দিরের পাশাপাশি এখানে আরো রয়েছে মেডিটেশন সেন্টার, শালবন বিহার স্কুল, এতিমখানা, লাইব্রেরী, জাদুঘর, সেমিনার হোস্টেল কক্ষ।

প্রবেশ মূল্যঃ ২০ টাকা। পরিদর্শনের সময়সূচী: সকাল টা হতে বিকাল টা।

অবস্থান ও যাতায়াত:

কোটবাড়ি, কুমিল্লা।

ঢাকা চিটাগাং হাইওয়েতে  বিশ্বরোড থেকে সিএনজি, অটো-রিকশা করে  কোটবাড়ি যেতে পারেন। কুমিল্লা শহরের টমছম ব্রিজ থেকেও  সিএনজিতে করে সরাসরি যেতে পারেন


Total Site Views: 1095216 | Online: 8