×
খাগড়াছড়ি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র আলুটিলার ঝর্ণা বা রিছাং ঝর্ণা আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় সুড়ঙ্গ দেবতার পুকুর (দেবতার লেক) শান্তিপুর অরণ্য কুটির বনভান্তের প্রথম সাধনা স্থলে দীঘিনালা বনবিহার বিজিবি জন্মস্থানের স্মৃতিসৌধ মাটিরাঙার উপজেলার শতবর্ষী বটগাছ মাটিরাঙ্গায় বিনোদন পার্ক “জল পাহাড়” মানিকছড়িতে মং সার্কেলের রাজবাড়ি রামগড়ে শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের বীর উত্তম এর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি ও কবর রামগড়-সাব্রুম স্থলবন্দর (নির্মাণাধীন) বিজিবি জন্ম স্থান, চা বাগান, ঝুলন্ত ব্রি্‌জ, লেক ও ভারত সীমান্তে রামগড় একদিনে ভ্রমন
☰ খাগড়াছড়ি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
রামগড়-সাব্রুম স্থলবন্দর (নির্মাণাধীন)

পরিচিতি

খাগড়াছড়ির রামগড়-সাব্রুম স্থলবন্দর চালুর লক্ষ্যে সীমান্তবর্তী ফেনী নদীর ওপর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ নির্মাণ কাজের জন্য আগরওয়াল কনস্ট্রাকশন নামে গুজরাটের একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে ভারত। রামগড় পৌরসভার সীমান্তবর্তী মহামুনি এবং ওপারের আনন্দপাড়া এলাকায় ফেনী নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণের স্থান ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেতু থেকে ওপারে প্রায় ১২শ মিটার এপ্রোচ রাস্তা নবীনপাড়া-ঠাকুরপল্লী হয়ে সাব্রুম-আগরতলা জাতীয় সড়কে যুক্ত হবে। বাংলাদেশ অংশে সেতুটি রামগড়- বারৈয়ারহাট- চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত হবে। নির্মাণ কাজের নিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি ৪১২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৪ দশমিক আট মিটার প্রস্থের মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ খুব শিগগিরই শুরু করবে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, প্রায় ১১০ কোটি ভারতীয় রুপি ব্যয় করে সেতুটি নির্মাণ করবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সেতু নির্মাণের সময়সীমা ধরা হয়েছে দুই বছর পাঁচ মাস। ন্যাশনাল হাইওয়েস এন্ড ইনফ্রাস্টাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের ডিজিএম প্রদীপ ভুইয়ার বরাত দিয়ে ত্রিপুরার আগরতলার ডেইলী দেশের কথা পত্রিকায় গত ৫ মে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়, সাব্রুমের ছোটখীল রাস্তা হতে ফেনী নদী পর্যন্ত এক একর ৫৭ শতক জায়গা অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। প্রকল্পে বাংলাদেশ অংশের অগ্রগতি সম্পর্কে রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আল মামুন মিয়া বলেন, ইতোমধ্যে দুই দেশের যৌথ সার্ভের মাধ্যমে সেতু নির্মাণের এলানমেন্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেতু ও সংযোগ রাস্তার জন্য দুই একর ৮৬ শতক জমি অধিগ্রহণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ড. মোঃ গোরফান ফারুকীসহ তিনি ওই জমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। জমিগুলো অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। তিনি জানান, গত জানুয়ারিতে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আহবানে রামগড় স্থলবন্দর উন্নয়ন বিষয়ে এক গণপরামর্শ সভা খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রামগড়-সাব্রুম স্থলবন্দরের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সংযোগ সড়ক হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারৈয়ারহাট হতে রামগড় পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে জাইকা কাজটি করবে। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের নাজিরহাট হতে রামগড় স্থলবন্দর পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। হাটহাজারীতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা জানান। সীমান্তের ওপারের বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, রামগড় সাব্রুম স্থলবন্দর চালুর দুই দেশের সিদ্ধান্ত সামনে রেখে ইতোমধ্যে ভারতের আগরতলা থেকে সাব্রুম পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। প্রসংগত, ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরকালে ভারতের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর সাথে বৈঠকে রামগড়-সাব্রুম স্থলবন্দর চালুর যৌথ সিদ্ধান্তের পর ২০১৫ সালের ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু-১ নামে ফেনী নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন।[নিজাম উদ্দিন লাভলুর লেখায়, সংবাদপত্র থেকে সংগৃহীত]


অবস্থান ও যাতায়াত

রামগড় এর মহামুনি পাড়ায়, মহামুনি বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন ফেনী নদীর পাড়ে।


Total Site Views: 843881 | Online: 4