×
খাগড়াছড়ি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র আলুটিলার ঝর্ণা বা রিছাং ঝর্ণা আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় সুড়ঙ্গ দেবতার পুকুর (দেবতার লেক) শান্তিপুর অরণ্য কুটির বনভান্তের প্রথম সাধনা স্থলে দীঘিনালা বনবিহার বিজিবি জন্মস্থানের স্মৃতিসৌধ মাটিরাঙার উপজেলার শতবর্ষী বটগাছ মাটিরাঙ্গায় বিনোদন পার্ক “জল পাহাড়” মানিকছড়িতে মং সার্কেলের রাজবাড়ি রামগড়ে শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের বীর উত্তম এর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি ও কবর রামগড়-সাব্রুম স্থলবন্দর (নির্মাণাধীন) বিজিবি জন্ম স্থান, চা বাগান, ঝুলন্ত ব্রি্‌জ, লেক ও ভারত সীমান্তে রামগড় একদিনে ভ্রমন
☰ খাগড়াছড়ি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
মানিকছড়িতে মং সার্কেলের রাজবাড়ি

পরিচিতি

মং রাজার ইতিহাস, সংস্কৃতি জানা ও দেখার জন্য ঘুরে যেতে পারেন মং রাজবাড়ি। খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার মং সার্কেলের রাজবাড়ি এবং রাজত্বকালীন স্থাপত্য জেলার অন্যতম ঐত্যিবাহী দর্শনীয় স্থান। রাজার সিংহাসন, মূল্যবান অস্ত্রশস্ত্রসহ প্রত্নতাত্ত্বিক অনেক স্মৃতিবিজরিত এই রাজবাড়ি। যদিও সুষ্ঠু সংরক্ষণ যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে হারিয়ে গেছে অনেক কিছু। খাগড়াছড়ি জেলা শহর থেকে ৩৬ কিমি. দক্ষিণ-পশ্চিমে মানিকছড়ি উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী মং রাজার বাড়ি। মানিকছড়ি মং রাজপরিবারের যাত্রা শুরু হয় কংজয়ের আমল থেকে। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের সন্তুষ্টি লাভের পর কংজয় ত্রিপুরা রাজকন্যা চন্দ্রাকে বিয়ে করে ৫০০ ত্রিপুরা পরিবার সঙ্গে নিয়ে সীতাকুণ্ড থেকে মানিকছড়িতে এসে বসবাস শুরু করে। রাজা কংজয় ত্রিপুরা মারা যান ১৮২৬ সালে। কংজয় ত্রিপুরার ছেলে কিওজাই সেন ১৮২৬ সালে শূন্য রাজ সিংহাসন পূরণের জন্য মাত্র সাত বছর বয়সে পিতার স্থলাভিষিক্ত হন। নাবালক কিওজা ১৮৪০ সাল পর্যন্ত কাকা লথানয্যার অভিভাবকত্বে থেকে রাজ্য পরিচালনা করেন। কিওজাই সেনের কাজে ইংরেজ সরকার সন্তুষ্ট হয়ে তাকে মং সার্কেলের প্রধান নিযুক্ত করেন। কিওজাই সেনই প্রথম মং সার্কেল চিফ এবং এই মানিকছড়ি রাজবাড়ির প্রতিষ্ঠাতা। এরপর নরপদি, কিওজা প্রু, নে প্রু সেইন, রাণী নানুমা, রাজা মং প্রু সেন, নিহার দেবী, প্রাইহলা প্রু চৌধুরী পর্যায়ক্রমে মং সার্কেলের প্রধান নিযুক্ত হন।


অবস্থান ও যাতায়াত

মানিকছড়ির আমতলি ও মহামুনি পাড়া থেকে রিক্সা বা হেঁটে যাওয়া যায় রাজ বাড়িতে।


Total Site Views: 1091496 | Online: 8