×
খাগড়াছড়ি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র আলুটিলার ঝর্ণা বা রিছাং ঝর্ণা আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় সুড়ঙ্গ দেবতার পুকুর (দেবতার লেক) শান্তিপুর অরণ্য কুটির বনভান্তের প্রথম সাধনা স্থলে দীঘিনালা বনবিহার বিজিবি জন্মস্থানের স্মৃতিসৌধ মাটিরাঙার উপজেলার শতবর্ষী বটগাছ মাটিরাঙ্গায় বিনোদন পার্ক “জল পাহাড়” মানিকছড়িতে মং সার্কেলের রাজবাড়ি রামগড়ে শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের বীর উত্তম এর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি ও কবর রামগড়-সাব্রুম স্থলবন্দর (নির্মাণাধীন) বিজিবি জন্ম স্থান, চা বাগান, ঝুলন্ত ব্রি্‌জ, লেক ও ভারত সীমান্তে রামগড় একদিনে ভ্রমন
☰ খাগড়াছড়ি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় সুড়ঙ্গ

পরিচিতি

গা ছমছম করা অনুভূতি নিয়ে পাহাড়ী সুড়ঙ্গ পথ বেয়ে অন্ধকার পাতালে নেমে যাওয়া কল্পনার বিষয় হলেও আলুটিলার সুড়ঙ্গ পথ কল্পনার কিছু নয়। আলুটিলা কেন্দ্রের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর ‘রহস্যময় সুড়ঙ্গ’। স্থানীয় লোকের ভাষায় ‘‘মাতাই হাকর’’ যার বাংলা অর্থ দেবগুহা। এ পাহাড়ের চূড়া থেকে ২৬৬টি সিঁড়ির নীচে আলুটিলা পাহাড়ের পাদদেশে পাথর আর শিলা মাটির ভাঁজে গড়া এ রহস্যময় সুড়ঙ্গের অবস্থান। গুহামুখের ব্যাস প্রায় ১৮ফুট আর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ফুট। প্রবেশমুখ ও শেষের অংশ আলো-আঁধারিতে আচ্ছন্ন। মাঝখানে নিকষ কালো গাঢ় অন্ধকার এ গুহার তলদেশ দিয়ে প্রবাহমান শীতল জলের ঝর্ণাধারা। গা ছমছম করা অনুভূতি নিয়ে এ গুহায় প্রবেশ করাটা একদিকে যেমন ভয়সংকুল তেমনি রোমাঞ্চকরও বটে। শুধু বাংলাদেশেতো বটেই পৃথিরীর অন্য কোন দেশেও এ রকম প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ পথের খুব একটা নজীর নেই। অনন্য সাধারণ এ গুহায় মশাল বা উজ্জ্বল টর্চের আলো ব্যতীত প্রবেশ করা যায় না। মশাল পর্যটন কেন্দ্রেই পাওয়া যায় ১০টাকার বিনিময়ে। গুহার একদিকে ঢুকে অন্যদিকে গিয়ে বেরোতে সময় লাগে মাত্র ১৫/২০মিনিট। উপমহাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক এ সুড়ঙ্গ জেলার প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।


অবস্থান ও যাতায়াত

শহর থেকে ৮কিঃ মিঃ পশ্চিমে আলুটিলা পাহাড় চূড়ায় আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে এর অবস্হান | পর্যটন কেন্দ্রটি খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পার্শ্বে অবস্থিত হওয়ায় বাস, ট্যাক্সিযোগ যাতায়াত করা যায়।


Total Site Views: 1079838 | Online: 12