×
চট্রগ্রাম জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ফয়েজ লেক জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর(চট্রগ্রাম) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি বাটালী হিল কোর্ট বিল্ডিং বায়েজিদ বোস্তামী ভাটিয়ারী হালদা নদী বাঁশখালী বেলগাও চা বাগান বাঁশখালী ইকোপার্ক পারকী সমুদ্র সৈকত ডিসি হিল মির্জারখীল দরবার শরীফ শাক্যমুনি বিহার ঐহিহ্যবাহী রাজ বাড়ী অপুর্ব স্থাপত্য নিদর্শন চট্টগ্রামের রেলওয়ে হাতির বাংলো মিরসরাই থেকে সীতাকুন্ডের সকল ঝর্ণা ঝিরি লালদিঘীর ময়দানে ঐতিহাসিক জব্বারের বলী খেলা হাজারিখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য দুধ পুকুরিয়া ধোপাছড়ি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সীতাকুন্ড বোটানিকেল গার্ডেন ও ইকোপার্ক বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান
☰ চট্রগ্রাম জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
বাটালী হিল

পরিচিতি

"চট্টগ্রামের মূল কেন্দ্রে অবস্থিত বাটালী হিল। এটি চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে উচু পাহাড়। উচ্চতা প্রায় ২৮০ ফুট। মনে মনে ভাবছেন এতে উঠতে চরম কষ্ট করতে হবে। চিন্তার কোনো কারণ নেই, পাহাড়ে উঠার যাদের নূন্যতম অভিজ্ঞতা নেই তারা অনায়াসে বাটালী হিলে উঠতে পারবেন। চট্টগ্রাম শহরের প্রাণ কেন্দ্রের লালখান বাজার এলাকার ইস্পাহানী মোড়ের উত্তরে ফাহিম মিউজিকের পাশ ঘেষে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কলোনীর পিছন দিয়ে পিচ ঢালা পথ বেয়ে উপরে দিকে উঠে গেছে বাটালী হিলের রাস্তা। এই বাটালী হিল আবার ‘জিলাপি পাহাড়’ নামেও পরিচিত। এর কারণ হচ্ছে- পাহাড়ের উঠার রাস্তাটি জিলাপির প্যাচের মত আকা-বাকা পথ বেয়ে উপরের দিকে উঠে গেছে এর ফলে পাহাড়ের চূড়ায় উঠার সময় অন্যরকম একটা চমৎকার অনুভূতি হয়। কিন্তু লক্ষ্য করার মত একটা ব্যাপার হচ্ছে- প্রাকৃতিক নৈসর্গে ভরা এই চমৎকার পাহাড়টি চট্টগ্রামের মূল কেন্দ্রে অবস্থিত হলেও অনেকেই এর অবস্থান জানেননা। এমনকি আমি নিজেও জানতাম না! যদিও আমি ছোট বেলা থেকে এই পাহাড়ের নাম শুনে এসেছি। ""আমার বর্ণমালা"" ও ""নাগরিক ব্লগ""-এর ব্লগার কৌশিক-এর কল্যাণে এই পাহাড়ের অবস্থান চিনতে পেরেছি। সর্বোচ্চ চূড়াটিকে বলা হয়- শতায়ু অঙ্গন। বাটালী হিলের সর্বোচ্চ চূড়ায় উঠলে পুরো চট্টগ্রাম শহর দেখা যায়। সেখানে গিয়ে অনুভব করা যাবে জঙ্গলের মুগ্ধতা। বিগত ২০০৩ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাটালী হিলে বাংলাদেশ পুলিশের সৌজন্যে জলপাই, কাঠাল, কালজাম, লিচু, কমলা, আম, জাফরান, চন্দন, কফি, অর্জুন গাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় সাড়ে ১২ হাজার গাছ রোপন করা হয়। উল্লেখ্য বাটালী হিল বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগের নিজস্ব সম্পত্তি। উক্ত পাহাড়ের বিভিন্ন চূড়ায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অফিস ও বেশ কয়েকটি বাংলো রয়েছে।"

অবস্থান ও যাতায়াত

চট্টগ্রাম | উক্ত দশর্নীয় স্থানে যাওয়ার জন্য বাস বা অটোরিক্সা ব্যবহার করা যেতে পারে।


Total Site Views: 1002798 | Online: 6