×
চট্রগ্রাম জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ফয়েজ লেক জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর(চট্রগ্রাম) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি বাটালী হিল কোর্ট বিল্ডিং বায়েজিদ বোস্তামী ভাটিয়ারী হালদা নদী বাঁশখালী বেলগাও চা বাগান বাঁশখালী ইকোপার্ক পারকী সমুদ্র সৈকত ডিসি হিল মির্জারখীল দরবার শরীফ শাক্যমুনি বিহার ঐহিহ্যবাহী রাজ বাড়ী অপুর্ব স্থাপত্য নিদর্শন চট্টগ্রামের রেলওয়ে হাতির বাংলো মিরসরাই থেকে সীতাকুন্ডের সকল ঝর্ণা ঝিরি লালদিঘীর ময়দানে ঐতিহাসিক জব্বারের বলী খেলা হাজারিখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য দুধ পুকুরিয়া ধোপাছড়ি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সীতাকুন্ড বোটানিকেল গার্ডেন ও ইকোপার্ক বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান
☰ চট্রগ্রাম জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
অপুর্ব স্থাপত্য নিদর্শন চট্টগ্রামের রেলওয়ে হাতির বাংলো

পরিচিতি

হাতির আদলেও ভবন নির্মাণ করা যায়। বন্দর নগরী চট্টগ্রামেই আছে দৃষ্টিনন্দন হাতি বাংলো। হাতির আদলে নগরীর সিআরবি এলাকায় নির্মাণ করা হয় ডুপ্লেক্স এ বাড়িটি। সাধারণ লোকজনের কাছে এটি ‘হাতি বাংলো’ নামে পরিচিত। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মালিকানাধীন এই বাংলোটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, সিআরবি রেলওয়ে পুলিশ সুপারের বাংলোর পাশে হাতি বাংলোটির দুইপাশে দুইটি করে চারটি এবং সামনে এবং পেছনে তিনটি করে ছয়টি জানালা রয়েছে। জানালাগুলিও গোলাকার। বাংলোর সামনের দিকে হাতির সুরের মত যে বারান্দাটি রয়েছে সেটিতেও গোলাকার দুইটি ফুটো রয়েছে। যা দেখতে অনেকটা হাতির চোখের মত। তবে হাতির ওই সুরের নিচে পরবর্তীতে আরো দুইটি পিলার দিয়ে একটি বারান্দা নির্মাণ করা হয়েছে। যা মূল ভবনের আকর্ষণকে কিছুটা ম্লান করেছে। অনেকটা গম্বুজের আকারে নির্মিত ভবনটি দীর্ঘ দিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণহীনভাবে পরে থাকার কারণে ছত্রাকের নিরাপদ আশ্রয়ে ভবনটি বিবর্ণ হয়ে গেছে। দেয়ালের বিভিন্ন ভাঁজে জন্মেছে ঘাস এবং লতা। ভবনটির নিচ তলায় দুইটি এবং উপরে একটি কক্ষ রয়েছে। প্রকৌশলী ব্রাউনজার উত্তরমুখী এই বাংলোতে থাকতেন। পরবর্তীতে ডরমেটরি হিসেবে ব্যবহার হত। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি এখন ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তবে পাহাড়ের উপর নির্মিত ভবনটির চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য সবাইকে মুগ্ধ করে। প্রকৃতি নিজের হাতেই ওই এলাকাকে সাজিয়ে দিয়েছে। এখন প্রয়োজন শুধু বাংলোটিকে বাসযোগ্য করে তোলা। জানা গেছে, আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের সদর দপ্তর ছিল চট্টগ্রামে। ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বদিক এবং বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলসহ পুরো আসাম প্রদেশে রেললাইন স্থাপন করেছিল আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে। ১৮৯৩ সালে চট্টগ্রাম থেকে ফেনী পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণকাজ শুরু হয় বৃটিশ প্রকৌশলী ব্রাউনজারের অধীনে। ঊনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই বাংলোটি নির্মিত হয়। দৃষ্টিনন্দন এ বাংলো কালের বির্বতনে এখন বিবর্ণ, অনেকটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। কালের সাক্ষী এই বাংলোটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রক্ষার উদ্যোগ নিলে এটি হয়তো পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় একটি থাকার স্থানে পরিণত হতো। এটি উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এর নির্মাণ কাজে ফেরো সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলোটি সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষ মৌখিক অনুমোদন দিয়েছে। এটি সংস্কারের পর রেস্ট হাউজ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অতীতেও এটি রেস্ট হাউজ হিসেবে ব্যবহার হতো। এটি সম্ভবত পাকিস্তান আমলের শুরুর দিকে নির্মিত হয়েছে। পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা এটি নির্মাণ করেন বলে তার ধারণা। [পূর্বকোণ এর সৌজন্যে]

অবস্থান ও যাতায়াত

চট্টগ্রামের সিআরবি রেলওয়ে পুলিশ সুপারের বাংলোর পাশে হাতি বাংলোটির অবস্থান


Total Site Views: 767490 | Online: 6