×
চট্রগ্রাম জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ফয়েজ লেক জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর(চট্রগ্রাম) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি বাটালী হিল কোর্ট বিল্ডিং বায়েজিদ বোস্তামী ভাটিয়ারী হালদা নদী বাঁশখালী বেলগাও চা বাগান বাঁশখালী ইকোপার্ক পারকী সমুদ্র সৈকত ডিসি হিল মির্জারখীল দরবার শরীফ শাক্যমুনি বিহার ঐহিহ্যবাহী রাজ বাড়ী অপুর্ব স্থাপত্য নিদর্শন চট্টগ্রামের রেলওয়ে হাতির বাংলো মিরসরাই থেকে সীতাকুন্ডের সকল ঝর্ণা ঝিরি লালদিঘীর ময়দানে ঐতিহাসিক জব্বারের বলী খেলা হাজারিখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য দুধ পুকুরিয়া ধোপাছড়ি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সীতাকুন্ড বোটানিকেল গার্ডেন ও ইকোপার্ক বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান
☰ চট্রগ্রাম জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান

পরিচিতি:

২০১০ সালের ৬ এপ্রিল চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই উপজেলার ২ হাজার ৯৩৩ দশমিক ৬১ হেক্টর বনকে বারৈয়াঢালা ন্যাশনাল পার্ক (সংরক্ষিত বনাঞ্চল) ঘোষণা করা হয়। বারৈয়াঢালা রেঞ্জের বারৈয়াঢালা বিট ও বড়তাকিয়া বিট এটির আওতাভুক্ত। এখানকার পাহাড়ে অবস্থিত ঝরনায় পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ইকো গাইড সরবরাহ, রাত্রিযাপনের জন্য তাঁবু ও খাবার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন রকম পর্যটন সহায়তা প্রদান করছে জাতীয় উদ্যান সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি। উন্নয়ন সংস্থা কোডেক ইউএসএইডের ক্রেল প্রকল্পের সহযোগিতায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থা উন্মুক্ত করেছে এখানে। খানকার বনাঞ্চলে হরিণ, ভাল্লুক, খরগোশ, অজগর সাপ, বনমোরগ, বন ছাগল, শুকর ও বিলুপ্ত প্রজাতির অসংখ্য পাখি রয়েছে। এছাড়া এখানকার সৃজিত বাগানে চাপালিশ, জাম, সেগুন, কদম, চিকরাশি, গামারিসহ বিভিন্ন প্রকার কাঠ-ঔষধি বৃক্ষ, বাঁশ ও সাইকাস উদ্ভিদ রয়েছে। এখানকার জাতীয় উদ্যানের আকর্ষণের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নয়স্তর বিশিষ্ট খৈয়াছড়া ঝরনা, সহস্রধারা ঝরনা, নাপিত্তা ছড়া ঝরনা ও সোনাই ছড়া ঝরনা। এছাড়া বাওয়া ছড়া, কমলদহ ছড়া, নাপিত্তার ছড়া ও লবণাক্ত ছড়া এখানকার সৌন্দর্য্যে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। পাহাড়ি সংস্কৃতি ও জীবনধারা পর্যটকেরা উপলদ্ধি করতে পারবেন এখানে। কারণ এখাকার পাহাড়গুলোতে বসবাস করেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন। উদ্যানের সহস্রধারা ঝরনা এলাকায় রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বেশ কিছু ধর্মীয় স্থাপনা। যা কয়েকশ বছরের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী। এখানে প্রতিবছর উপমহাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শিব-চতুর্দশী মেলার আয়োজন করা হয়।

 

অবস্থান ও যাতায়াত:

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের বাসে উঠে মিরসরাইয়ের কাছে কমলদহ বাজারে নেমে পূর্ব দিকে ২ কিমি হাঁটলে বাওয়াছড়া পাওয়া যাবে, ক্যাম্পিংয়ের অনুমতি নিতে হবে বাওয়া ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা কমিটি থেকে। ক্যাম্পের পাশেই বাথরুমের ব্যবস্থা আছে। বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানের মধ্য দিয়ে হাজারিখিল যাওয়ার জন্য বাওয়া ছড়া থেকে গাইড নিতে হবে।


Total Site Views: 843823 | Online: 3