×
চাঁদপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

মোলহেড : ত্রিনদীর সঙ্গমস্থল চাঁদপুর শহরের রক্তধারা ইলিশ চত্বর অঙ্গীকার শপথ চত্বর চাঁদপুর স্টেডিয়াম নুনিয়া দত্তের বাড়ি পূজা মন্দির অরুণ নন্দী সুইমিংপুল চৌধুরী বাড়ি হযরত রাস্তি শাহ (রঃ)-এর মাজার ও দিঘি লোহাগড়ের মঠ ষাটনল পর্যটন কেন্দ্র সাহেবগঞ্জ নীল কুটি পর্তুগীজ দুর্গ হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ শহীদ স্মৃতি সমাধিস্থল নাসিরকোট রূপসা জমিদার বাড়ি শোল্লা জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি) কড়ৈতলী জমিদার বাড়ি বড়কুল জমিদার বাড়ি (ভাগ্যিতা বাড়ি) বলাখাল জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি) দুর্লভ নাগলিঙ্গম গাছ বাদশা আলমগীরি মসজিদ শহীদ রাজু ভাস্কর্য
☰ চাঁদপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
বড়কুল জমিদার বাড়ি (ভাগ্যিতা বাড়ি)

পরিচিতি

১৯৭১ পাকহানাদার বাহিনী বাড়িটি পুড়িয়ে দেয়। কিন্তু এখনো বাড়িটি আছে অবহেলার নিদর্শন হয়ে। গোটা বাংলাদেশে আয়তনে সর্ব বৃহত্তম জমিদার বাড়িগুলোর একটি বড়কূল জমিদার বাড়ি। এই জমিদার বাড়িতে মোট পাঁচটি স্থাপনা। ছিলো সাতটি। বাকি দুটো অবহেলায় এখন কেবল ইটের দেয়াল ছাড়া কিছুই নেই। এতোখানি অবহেলা বোধহয় আর কোন জমিদার বাড়িতে হয়নি! বাড়িটিকে স্থানীয়রা চিনে ভাগিত্যা বাড়ি বলে। ভাগিত্যা মানে ভাগ্যবানের বাড়ি।

জমিদার বাড়িটি প্রায় চার একর জায়গা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। জমিদার বাড়িটি কবে নাগাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে এই জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জমিদার পদ্মলোচন সাহা। তিনি ছিলেন খুবই শৌখিন। যা তার বাড়ির বিভিন্ন অংশে তাকালেই বুঝা যায়। কথিত আছে যে, পুকুরে গোসল করতে গেলে জমিদারের মায়ের পায়ে কাদা লাগবে বলে পুকুরের তলদেশে তিনি পাঁকা করেছিলেন। এইরকম আরো অনেক ধরনের সৌখিনতার চিহ্ন রয়েছে এই জমিদার বাড়িটিতে।

এখনো এই জমিদার বাড়িতে জমিদার বংশের চতুর্থ প্রজন্মের লোকেরা বসবাস করতেছেন। তবে এখন আর তাদের সেই জমিদারি নেই। ভারতবর্ষ ভাগের পর জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে তাদের জমিদারিত্ত্ব শেষ হয়ে যায়।

জমিদার বাড়িটিতে একটি দ্বিতল ভবন, অতিথিশালা, মন্দির ও পুকুর রয়েছে। বর্তমানে জমিদার বাড়িতে লোকজন বসবাস করাতে এবং এর পরিচর্যা করাতে এটি এখনো বেশ ভালো অবস্থায় আছে।

অবস্থান ও যাতায়াত

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কূল গ্রামে অবস্থিত মুক্তিযুদ্বের স্মৃতিবিজড়িত বড়কূল জমিদার বাড়ি। 


Total Site Views: 1162411 | Online: 7