×
চাঁদপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

মোলহেড : ত্রিনদীর সঙ্গমস্থল চাঁদপুর শহরের রক্তধারা ইলিশ চত্বর অঙ্গীকার শপথ চত্বর চাঁদপুর স্টেডিয়াম নুনিয়া দত্তের বাড়ি পূজা মন্দির অরুণ নন্দী সুইমিংপুল চৌধুরী বাড়ি হযরত রাস্তি শাহ (রঃ)-এর মাজার ও দিঘি লোহাগড়ের মঠ ষাটনল পর্যটন কেন্দ্র সাহেবগঞ্জ নীল কুটি পর্তুগীজ দুর্গ হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ শহীদ স্মৃতি সমাধিস্থল নাসিরকোট রূপসা জমিদার বাড়ি শোল্লা জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি) কড়ৈতলী জমিদার বাড়ি বড়কুল জমিদার বাড়ি (ভাগ্যিতা বাড়ি) বলাখাল জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি) দুর্লভ নাগলিঙ্গম গাছ বাদশা আলমগীরি মসজিদ শহীদ রাজু ভাস্কর্য
☰ চাঁদপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
ষাটনল পর্যটন কেন্দ্র

পরিচিতি

ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রটি অত্যন্ত মনরোম পরিবেশে অবস্থিত। প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক এই পর্যটন কেন্দ্রটি ভ্রমন করেন। ২০০০ সালে সরকারি ভাবে এটিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসাবে ঘোষনা করা হয়। মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল পর্যটনকেন্দ্র ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশী-বিদেশী পর্যটকরা এ পর্যটন কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছেন। পর্যটন কেন্দ্রটির অবকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। নদীমাতৃক এলাকা হওয়া সত্ত্বেও চাঁদপুর জেলায় চিত্তবিনোদনের জন্য তেমন কোনো জায়গা নেই। ফলে চিত্তবিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এখানকার জনগণ। মতলব উত্তর উপজেলার পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলনস্থলে মেঘনা নদীর পাড়ে ষাটনলে পর্যটন কেন্দ্র জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জেলাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ও রাজধানীর কাছে বিবেচনায় ২০০০ সালের ২৩ এপ্রিল মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনলে পর্যটন কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তÍর স্থাপন করা হয়। এই পর্যটন কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তÍর স্থাপন করেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম) ষাটনলের মেঘনা নদীর পাড়ে প্রায় ১০০ একর সম্পত্তির ওপর পিকনিক স্পট নির্মাণ করার জন্যে চাঁদপুর জেলা পরিষদকে দায়িত্ব দেয়া হয়। জেলা পরিষদ প্রায় ১৪ বছরে ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রে ১টি বিশ্রামাগার, ১টি রন্ধনশালা, ১টি ড্রেসিং ভবন, ১টি ডাইনিং ভবন নির্মাণ করে। এছাড়া কয়েকটি টয়েলেট নির্মাণ করা হয়। এখন প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না পাওয়ায় ভূমি সমতল করার জন্যে মাটি ভরাট করার কাজ, বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ, প্রয়োজনীয় সীমানা প্রাচীর, লঞ্চঘাটের যাত্রীছাউনী ও পন্টুন স্থাপন, অভ্যন্তরীণ সড়ক সংযোগ, নিরাপত্তা শেড, ডাকবাংলোসহ অন্যান্য ভবন করা যাচ্ছে না। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর থেকে অল্প সময়ের মধ্যে এ পর্যটন কেন্দ্রে আসা যায়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নৌ ও সড়ক পথে ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রে আসা সম্ভব। ষাটনল থেকে চাঁদপুর হয়ে হাইমচর পর্যন্ত পিকনিক স্পট হিসেবে পর্যটকরা ব্যবহার করতে পারেন। যোগাযোগ ব্যবস্থায় সহজ ও মনোমুগ্ধকর স্থান বলে এ পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে। ক্রমেই এই পর্যটন কেন্দ্রটি জমে উঠছে। শীত আসার শুরুতেই পর্যটকরা আসতে শুরু করেন। একজন পর্যটক জানান, ষাটনল থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত নদীর দু’পাড়ই পিকনিক স্পট। কী সুন্দর মনোরম পরিবেশ। এ পর্যটন কেন্দ্রটিকে আধুনিক করতে পারলে দেশী-বিদেশী পর্যটকরা এখানে অনেক ভিড় জমাবে।[মাহবুব আলম লাভলু]


অবস্থান ও যাতায়াত

উপজেলার পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলনস্থলে ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রটি অবস্থিত। জল ও স্থল যেকোনো স্থান থেকে নৌপথে আসতে পারেন এখানে। নৌযানে এসে ষাটনল লঞ্চঘাটে নেমেই পেয়ে যাবেন বিশাল পর্যটন এলাকা। উপজেলা সদর থেকে সিএসজি যোগে যাওযা যায়।


Total Site Views: 1081680 | Online: 12