×
চাঁদপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

মোলহেড : ত্রিনদীর সঙ্গমস্থল চাঁদপুর শহরের রক্তধারা ইলিশ চত্বর অঙ্গীকার শপথ চত্বর চাঁদপুর স্টেডিয়াম নুনিয়া দত্তের বাড়ি পূজা মন্দির অরুণ নন্দী সুইমিংপুল চৌধুরী বাড়ি হযরত রাস্তি শাহ (রঃ)-এর মাজার ও দিঘি লোহাগড়ের মঠ ষাটনল পর্যটন কেন্দ্র সাহেবগঞ্জ নীল কুটি পর্তুগীজ দুর্গ হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ শহীদ স্মৃতি সমাধিস্থল নাসিরকোট রূপসা জমিদার বাড়ি শোল্লা জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি) কড়ৈতলী জমিদার বাড়ি বড়কুল জমিদার বাড়ি (ভাগ্যিতা বাড়ি) বলাখাল জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি) দুর্লভ নাগলিঙ্গম গাছ বাদশা আলমগীরি মসজিদ শহীদ রাজু ভাস্কর্য
☰ চাঁদপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
কড়ৈতলী জমিদার বাড়ি

পরিচিতি

প্রায় আটশতক আগে (১২২০ বঙ্গাব্দ) বরিশাল জেলার অধিবাসী হরিশ চন্দ্র বসু নামের একজন এই কড়ৈতলী জমিদার বাড়িটির গোড়াপত্তন করেন। তিনি নিলামের মাধ্যমে এই জমিদারি ক্রয় করেন এবং প্রায় সত্তর বছর ধরে এই জমিদার বাড়ির জমিদারি করার পর শত বছর বয়সে (১২৯০ বঙ্গাব্দে) পরলোকগমণ করেন।

পরবর্তীতে দীর্ঘসময় ধরে তার উত্তরসূরীরা এখানকার জমিদারি করেন। এই জমিদাররা ছিলেন অনেক অত্যাচারী। জমিদার বাড়ির সামনে দিয়ে সাধারণ মানুষ জুতা পায়ে দিয়ে ও ছাতা মাথায় দিয়ে হাটতে পারতোনা। ভারতবর্ষ ভাগের পর ১৯৫১ খ্রিষ্টীয় সালে শেষ জমিদার গোবিন্দ বসুর হাত ধরেই এই জমিদার বাড়ির পতন ঘটে।

জমিদার বাড়িটি ৩টি ভবন, একটি দূর্গা মন্দির, বাবুর দীঘি নামে একটি বিশাল দীঘি, দীঘির মধ্যে একটি শান বাঁধানো ঘাট ও একটি দরবার হল নিয়ে গঠিত। এছাড়াও কড়ৈতলী বাজারের মধ্যস্থানে শ্মশানকালী মন্দির রয়েছে। মূল ভবনটি (১নং ভবন) ছিল জমিদারদের বসবাসের জন্য। আর ২নং ও ৩নং ভবন ব্যবহার করা হতো মালামাল ও প্রজাদের সাজা (কারাগার) দেওয়ার জন্য। মূল ভবনটি (১নং ভবন) ৩ তলা বিশিষ্ট। আর ২নং ও ৩নং ভবন ২ তলা বিশিষ্ট। এছাড়াও এই বাড়িটিতে একটি সুড়ঙ্গপথ রয়েছে জমিদারদের আত্মগোপন করার জন্য। কিন্তু বর্তমানে এটি বালু দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। লোকমুখে কথিত আছে এখানে একটি আঁধার মানিক (গুপ্তধন রাখার ঘর) রয়েছে।

অবস্থান ও যাতায়াত

চাদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার কড়ৈতলী বাজারের দক্ষিণ-পশ্চিমে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি বাবুর বাড়ি নামেই সুপরিচিত।


Total Site Views: 1022715 | Online: 6