×
ফেনী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

চৌধুরী বাড়ি মসজিদ শমসের গাজী দিঘী বিলোনিয়া স্থল বন্দর সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্প পাগলা মিঞাঁর মাজার শিলুয়ার শীল পাথর রাজাঝীর দীঘি বিজয় সিংহ দীঘি ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা ও রিসোর্ট মুবারক শাহ মসজিদ বাঁশপাড়া জমিদার বাড়ি সেনেরখিল জমিদার বাড়ি প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি কালিদহ বরদা বাবু জমিদার বাড়ী শর্শদি মাদ্রাসা মসজিদ (মোহম্মদ আলী মসজিদ) অচিন গাছ ফেনী জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ফেনী সরকারি কলেজ শর্শদি দীঘি দেওয়ানগঞ্জ সড়ক,ফেনী সদর বেড়াবাড়ীয়া রাবার ড্যাম এম আর রাবার বাগান বিলোনিয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ এককুইল্লা দীঘি/কুয়া এবং 'সুড়ঙ্গ' সাত মঠ / সাত মন্দির
☰ ফেনী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
বিলোনিয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ

পরিচিতি

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পণপর্বে পৌঁছাতে বাঙালিকে অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। অদম্য সাহস আর অসামান্য ত্যাগের মানসিকতা সম্বল করে নামা সেই যুদ্ধে ফেনীর বিলোনিয়ায় পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণ ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নধারীদের জন্য আশাজাগানিয়া খবর। তুমুল এক যুদ্ধ শেষে ১০ নভেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ৭২ জন সৈনিক আত্মসমর্পণ করেছিল।

একাত্তরের যুদ্ধক্ষেত্র বিলোনিয়া উত্তর-দক্ষিণে দৈর্ঘ্যে ১৬ মাইল আর পূর্ব-পশ্চিমে প্রস্থে ছয় মাইল। এলাকাটি তিন দিক দিয়ে ভারতঘেরা। দেখতে অনেকটা উপদ্বীপের মতো। এর ভেতর দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে বয়ে গেছে মুহুরী নদী।

দেশের ভেতরে একটি দপ্তর স্থাপনের জন্য মুক্তিবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডাররা বিলোনিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন। এখানে দুটি বড় যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। প্রথম যুদ্ধটি হয় জুন-জুলাই মাসে; প্রায় দেড় মাস স্থায়ী হয়। তাতে ৩৭ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পাকিস্তান বাহিনীর ৩০০ জন হতাহত হয়।

শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিলোনিয়ায় স্থাপন করা হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ।

অবস্থান ও যাতায়াত 

 ফেনী থেকে CNG/বাস দিয়ে পরশুরাম, পরশুরাম থেকে CNG দিয়ে বিলোনিয়া স্থল বন্দর যাওয়া যায়।


Total Site Views: 848378 | Online: 7