×
ফেনী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

চৌধুরী বাড়ি মসজিদ শমসের গাজী দিঘী বিলোনিয়া স্থল বন্দর সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্প পাগলা মিঞাঁর মাজার শিলুয়ার শীল পাথর রাজাঝীর দীঘি বিজয় সিংহ দীঘি ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা ও রিসোর্ট মুবারক শাহ মসজিদ বাঁশপাড়া জমিদার বাড়ি সেনেরখিল জমিদার বাড়ি প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি কালিদহ বরদা বাবু জমিদার বাড়ী শর্শদি মাদ্রাসা মসজিদ (মোহম্মদ আলী মসজিদ) অচিন গাছ ফেনী জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ফেনী সরকারি কলেজ শর্শদি দীঘি দেওয়ানগঞ্জ সড়ক,ফেনী সদর বেড়াবাড়ীয়া রাবার ড্যাম এম আর রাবার বাগান বিলোনিয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ এককুইল্লা দীঘি/কুয়া এবং 'সুড়ঙ্গ' সাত মঠ / সাত মন্দির
☰ ফেনী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
এককুইল্লা দীঘি/কুয়া এবং 'সুড়ঙ্গ'

পরিচিতি

ভাটির বাঘ খ্যাত শমসের গাজী ১৭৪৮-৬০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চল বিশাল ত্রিপুরা রৌশনাবাদ রাজ্যের অধিপতি ছিলেন। বর্তমানে ছাগলনাইয়া উপজেলার জগন্নাথ সোনাপুর গ্রামে তার জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। ছাগলনাইয়া হয়ে কি: মি: দক্ষিণে গেলে চম্পকনগর শুভপুরের মাঝামাঝি পূর্বে কি: মি: পরে ভারত সীমান্তের পিলার নং ২১৯৯-১০ বাংলা থেকে ২১৯৯-১৭ বাংলা পিলার পর্যন্ত বর্তমানে যেটি অবস্থিত।

এটি এখন শমসের গাজীর বাগান বাড়ি নামে খ্যাত। বাড়িটিতে তার প্রাসাদ ছিল বর্তমানে প্রাসাদের ভগ্নাবশেষ নানা আলামত থেকে দেখা যায় ৩৫০ বছর পূর্বের একজন শাসক কীভাবে তার সেনা দূর্গ রাজধানী প্রতিরক্ষার জন্য আধুনিক রণকৌশল দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন তার নিদর্শন।

সৌখিন বংশীবাদক শমেসের গাজী সমসাময়িক কালে বাংলার একমাত্র শাসক যিনি

ত্রিপুরা অধিকার করেছিলেন এবং ফেনীর চম্পক নগর থেকে পুরো রাজ্য পরিচালনা করেছেন। তিনি রাজধানীতে না থেকে তার জন্ম ভিটায় থাকতে বেশী পছন্দ করতেন।

এককুইল্লা দীঘি/কুয়াঃ

প্রাসাদের উত্তর দিকে উঁচু পাহাড়ের মাঝখানে রয়েছে একটি গভীর কুয়া, যেটিএককুইল্লাবা 'রকখুইল্লা' নামে পরিচিত। কুয়ার কিছু অংশ ভারতে পড়েছে। কুয়াটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের একেবারে নো ম্যানস ল্যান্ডে রয়েছে।

প্রায় ৩০০ বছর পরেও কুয়াটি অনেক গভীর যা সকলের নিকট বিস্ময় হয়ে রয়েছে। কুয়ার পানি স্বচ্ছ নির্মল। পানি কতটুকু আছে বলা যায় না কারণ কেউ তা শুকাতে দেখেনি। এটি নিয়ে অনেক রহস্যজনক কথা শোনা যায়। শুনা যায়, ঢিল মারলে কেউ পার করতে পারে না। বাড়িটির চারপাশে আরো অনেক নিদর্শন ছিল, যার এখনো রহস্য উম্মোচিত হয়নি। বাড়ির পশ্চিম দিকে রয়েছে রাঙ্গামাইট্যা পুকুর যার চতুর্দিকে রয়েছে প্রায় ৪০ ফুট উচুঁ ঢিবি, ফলে কোন দিন কেউ তাতে নামতে সাহস করেনি।

শমসের গাজীর সুড়ঙ্গঃ

সবচেয়ে কৌতুহল সৃষ্টি করে শমসের গাজীর বাড়ীর সুড়ঙ্গ পথটি। এটি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। নাদ্দামা দিঘির পশ্চিম পাড়ের নিচ দিয়ে ১০০ ফুট পর্যন্ত একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে। এর আকার আয়তন নির্মাণ কৌশল দেখলে অনেকটা মোঘল আমলের প্রাসাদ অথবা প্রবেশ দ্বারের কথা মনে করিয়ে দেয়। সুড়ঙ্গ পথটি দিয়ে দুই জন লোক অনায়াসে হেঁটে যেতে পারতো। এটি একসময় বন্ধ করে দেয়া হলেও। এর স্মৃতিচিহ্ন এখনো রয়েছে। কথিত আছে এই সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে রানীরা (তার স্ত্রী পুত্রবধূরা) দিঘীতে গোসল করতে যেতেন।

এছাড়া এই সুড়ঙ্গ নিয়ে নানারকম লোককথা রয়েছে। ব্রিটিশদের সহায়তায় ত্রিপুরার রাজা যখন শমসের গাজীর বসভিটা আক্রমণ করেন এবং তা গুড়িয়ে দেন। তখন তিনি এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে অনেকে মনে করে থাকেন। যদিও শেষ

Total Site Views: 846075 | Online: 5