×
রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ে কর্ণফুলী হ্রদ পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু সুবলং ঝর্ণা উপজাতীয় যাদুঘর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান পেদা টিং টিং টুকটুক ইকো ভিলেজ যমচুক শ্রদ্ধেয় বনভান্তের জন্ম স্থান মোরঘোনায় স্মৃতি স্তম্ভ ও স্মৃতি মন্দির(নির্মাণাধীণ) পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুল রাইংখ্যং পুকুর নির্বানপুর বন ভাবনা কেন্দ্র বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সেনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি ভাস্কর্য রাজবন বিহার ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ি উপজাতীয় টেক্মটাইল মার্কেট রাঙ্গামাটি ডিসি বাংলো ফুরমোন পাহাড় রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়ক কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নৌ বাহিনীর পিকনিক স্পট চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার রাজস্থলী ঝুলন্ত সেতু বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ এর সমাধিস্থল ওয়াগ্গা চা এস্টেট সাজেক ভ্যালী ন-কাবা ছড়া ঝর্ণা বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কাট্টলী বিল তিনটিলা বনবিহার
☰ রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
সুবলং ঝর্ণা

পরিচিতি

বাংলাদেশের অন্য অনেক ঝর্ণার মতো সুবলংয়ের এই ঝর্ণাটিও তার প্রকৃত রূপের পসরা সাজায় বর্ষার সময়টাতেই। এ সময় প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে সশব্দে পাহাড়ি এই জলধারা নেমে আসে সমতলে।সুবলং ঝর্ণার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, একক কোনো ধারায় না পড়ে এই ঝর্ণাটি তার উঁচু অবস্থান থেকে ছোট ছোট বেশ কয়েকটি ধারায় একই সমান্তরালে নেমে আসে। ফলে ঝর্ণা থেকে পড়া পানির ধারাটি এক অপূর্ব সৌন্দর্য্যের জন্ম দেয়।এ ঝর্ণায় যেন আদিবসী জীবনের সাথে মিশে আছে। আর একারণেই বড়কল উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৮টির মতো ঝর্ণা থাকলেও এই ঝর্ণাটি দেখতেই বছরে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক লোকের সমাগমঘটে। তাছাড়া এই ঝর্ণাটির পানি উপর থেকে পতনের সময় খুব সীমিত জায়গার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে বলে পর্যটকরা ঝর্ণাধারা উপভোগ করতে পারেন বেশ কাছ থেকেই। রাঙ্গামাটি সদর থেকে সুবলংয়ের দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।


অবস্থান ও যাতায়াত

শুভলং, বরকল উপজেলা। রাঙ্গামাটির রিজার্ভ বাজার, পর্যটন ঘাট ও রাংগামাটি শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে স্পীড বোট ও নৌ-যানে করে সহজেই সুবলং যাওয়া যায়। যার ভাড়ার পরিমাণ ঘন্টা প্রতি স্পীড বোট ঘন্টায় ১২০০-১৫০০/- এবং দেশীয় নৌযান ৫০০-৮০০/- টাকা।


Total Site Views: 1081543 | Online: 9