×
রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ে কর্ণফুলী হ্রদ পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু সুবলং ঝর্ণা উপজাতীয় যাদুঘর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান পেদা টিং টিং টুকটুক ইকো ভিলেজ যমচুক শ্রদ্ধেয় বনভান্তের জন্ম স্থান মোরঘোনায় স্মৃতি স্তম্ভ ও স্মৃতি মন্দির(নির্মাণাধীণ) পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুল রাইংখ্যং পুকুর নির্বানপুর বন ভাবনা কেন্দ্র বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সেনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি ভাস্কর্য রাজবন বিহার ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ি উপজাতীয় টেক্মটাইল মার্কেট রাঙ্গামাটি ডিসি বাংলো ফুরমোন পাহাড় রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়ক কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নৌ বাহিনীর পিকনিক স্পট চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার রাজস্থলী ঝুলন্ত সেতু বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ এর সমাধিস্থল ওয়াগ্গা চা এস্টেট সাজেক ভ্যালী ন-কাবা ছড়া ঝর্ণা বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কাট্টলী বিল তিনটিলা বনবিহার
☰ রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
কর্ণফুলী হ্রদ

পরিচিতি

১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের ফলে কর্ণফুলী হ্রদের সৃষ্টি হয়। কৃত্রিম এ হ্রদের আয়তন ২৯২ বর্গমাইল (বর্গ কিলোমিটারে পরিণত করতে হবে)। এ হ্রদের সাথে কর্ণফুলী, কাচালং আর মাইনী নদীর রয়েছে নিবিড় সংযোগ। কাচালং নদীর উজানে লংগদুর মাইনীমুখে এসে হ্রদের বিস্তার দেখে যুগপৎ বিষ্মিত হতে হয়। এখানে হ্রদের বিস্তীর্ণ জলরাশি নির্দ্বিধায় আকাশের সাথে মিশে গেছে। রাঙ্গামাটি শহরে এলেই চোখে পড়ে হ্রদ-পাহাড়ের অকৃত্রি সহাবস্থান যা দেশের আর কোথাও দেখা মেলেনা। এ হ্রদের স্বচ্ছ জলরাশি আর সবুজ পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য পর্যটকদের সহজেই কাছে টানে আর হ্রদে নৌ-ভ্রমণ যে কারো মন-প্রাণ জুড়িয়ে দেয় প্রকৃতির আপন মহিমায়। প্রকৃতি এখানে কতটা অকৃপন হাতে তার রূপ-সুধা ঢেলে দিয়েছে তা দূর থেকে কখনই অনুধাবন করা সম্ভব নয়।


অবস্থান ও যাতায়াত

নৌ-ভ্রমণের জন্য রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি ও পর্যটন ঘাটে ভাড়ায় স্পীড বোট ও নৌযান পাওয়া যায়। যার ভাড়ার পরিমাণ ঘন্টা প্রতি স্পীড বোট ঘন্টায় ১২০০-১৫০০/- এবং দেশীয় নৌযান ৫০০-৮০০/- টাকা।


Total Site Views: 784305 | Online: 5