×
রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ে কর্ণফুলী হ্রদ পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু সুবলং ঝর্ণা উপজাতীয় যাদুঘর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান পেদা টিং টিং টুকটুক ইকো ভিলেজ যমচুক শ্রদ্ধেয় বনভান্তের জন্ম স্থান মোরঘোনায় স্মৃতি স্তম্ভ ও স্মৃতি মন্দির(নির্মাণাধীণ) পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুল রাইংখ্যং পুকুর নির্বানপুর বন ভাবনা কেন্দ্র বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সেনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি ভাস্কর্য রাজবন বিহার ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ি উপজাতীয় টেক্মটাইল মার্কেট রাঙ্গামাটি ডিসি বাংলো ফুরমোন পাহাড় রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়ক কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নৌ বাহিনীর পিকনিক স্পট চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার রাজস্থলী ঝুলন্ত সেতু বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ এর সমাধিস্থল ওয়াগ্গা চা এস্টেট সাজেক ভ্যালী ন-কাবা ছড়া ঝর্ণা বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কাট্টলী বিল তিনটিলা বনবিহার
☰ রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
সাজেক ভ্যালী

পরিচিতি

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সাজেক। এটিকে রাঙ্গামাটি ছাঁদ বলা হয়। এখান থেকে পুরো রাঙ্গামাটি দৃষ্টিগোচর হয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি এটি। এখানকার বিজিবি'র ক্যাম্প ও এর আশেপাশের এলাকা সত্যিই মনোমুগ্ধকর। এখান থেকে ভারত দৃষ্টিগোচর হয়। বাঘাইছড়ি উপজেলা থেকে ৬০ কি.মি. দুরে এর অবস্থান। সড়কপথে বাঘাইছড়ি থেকে সাজেক যাওয়ার পথে বিশাল সব পাহাড়ের উপর দিয়ে ছুটে চলা রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে চোখে পড়বে নয়নাভিরাম অপার সৌন্দর্য।


অবস্থান ও যাতায়াত

সাজেক, বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। যাতায়াত ব্যবস্থাঃ-রাঙ্গামাটি থেকে নৌপথে লঞ্চযোগে অথবা সড়কপথে বাঘাইছড়ি যাওয়া যায়। রিজার্ভ বাজার লঞ্চঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৭.৩০ থেকে ১০.৩০ ঘটিকার মধ্যে লঞ্চ ছাড়ে। ভাড়া জনপ্রতি ১৪০-২০০ টাকা। সময় লাগে ৫-৬ ঘন্টা। বাস টার্মিনাল থেকে সকাল ৭.৩০ থেকে ৮.৩০ ঘটিকার মধ্যে বাস ছাড়ে, ভাড়া জনপ্রতি ২০০ টাকা। সময় লাগে ৬-৭ ঘন্টা। এছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি বাঘাইছড়ি যাওয়া যায় অথবা খাগড়াছড়ি হয়েও যাওয়া সম্ভব। ঢাকা থেকেও সরাসরি বাঘাইছড়ি যাওয়া যায়। বাঘাইছড়ি থেকে জীপ (চাদেঁর গাড়ি) অথবা মোটর সাইকেলে সাজেক ভ্যালীতে পৌঁছানো যায়। ভাড়া জনপ্রতি ৩০০/-টাকা।


Total Site Views: 642001 | Online: 11