×
রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ে কর্ণফুলী হ্রদ পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু সুবলং ঝর্ণা উপজাতীয় যাদুঘর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান পেদা টিং টিং টুকটুক ইকো ভিলেজ যমচুক শ্রদ্ধেয় বনভান্তের জন্ম স্থান মোরঘোনায় স্মৃতি স্তম্ভ ও স্মৃতি মন্দির(নির্মাণাধীণ) পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুল রাইংখ্যং পুকুর নির্বানপুর বন ভাবনা কেন্দ্র বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সেনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি ভাস্কর্য রাজবন বিহার ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ি উপজাতীয় টেক্মটাইল মার্কেট রাঙ্গামাটি ডিসি বাংলো ফুরমোন পাহাড় রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়ক কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নৌ বাহিনীর পিকনিক স্পট চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার রাজস্থলী ঝুলন্ত সেতু বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ এর সমাধিস্থল ওয়াগ্গা চা এস্টেট সাজেক ভ্যালী ন-কাবা ছড়া ঝর্ণা বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কাট্টলী বিল তিনটিলা বনবিহার
☰ রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র

পরিচিতি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত দেশের সর্ব প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি এখন নানান সমস্যায় জর্জরিত। আংশিক চালু এই কেন্দ্রটির কার্যক্রম এখন কোন মতে পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে কেন্দ্রটি যেভাবে চালু রয়েছে তা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে এই কেন্দ্রটির কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে জাতির জনকের স্মৃতি বিজড়িত এই কেন্দ্রটিকে পূর্ণোদ্যমে চালু করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন কেন্দ্রের কর্মকর্তা এবং সিবিএর নেতৃবৃন্দ। ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন জাতির জনক সদ্য স্বাধীন প্রাপ্ত যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজ হাতে উদ্বোধন করেছিলেন বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি। সে সময় একটি সদ্য স্বাধীন প্রাপ্ত দেশের তথ্য প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং স্বাধীন দেশে স্বাধীন ভাবে তথ্য প্রযুক্তির উন্নত যোগাযোগ স্থাপনের জন্য চালু করা হয় দেশের প্রথম এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটির। ১৯৭০ সালে এই কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এই কেন্দ্রটিকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার এবং কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নানান চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু জাতির জনকের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে এই কেন্দ্রটির কাজ অব্যাহত থাকে। তদানীন্তন পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং বর্তমানের রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া নামক স্থানে রাঙ্গামাটি – চট্টগ্রাম সড়কের পাশ্ববর্তী এলকায় ১২৮ একরের জায়গার উপর স্থাপিত এই কেন্দ্রটিতে ৩৫,৯০০ কিলোমিটার উর্ধাকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে দ্রুততার সাথে তথ্য আদান প্রদানের কাজ পরিচালিত হচ্ছে।


কাউখালী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। যাতায়াত ব্যবস্থাঃ-চট্টগ্রাম থেকে রাঙ্গামাটির বাসযোগে বেতবুনিয়া যাওয়া যায়। রাঙ্গামাটি থেকে বাসে অথবা সিএনজি করে বেতবুনিয়ায় পৌঁছানো যায়।


Total Site Views: 784432 | Online: 14