×
কিশোরগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ঐতিহাসিক ইশা খাঁর জঙ্গলবাড়ী এগারসিন্দুর দুর্গ বাংলার প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর বাড়ি ও শিবমন্দির দিল্লির আখড়া শোলাকিয়া ঈদগাহময়দান পাগলা মসজিদ অষ্টগ্রাম হাওর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কুতুব শাহ মসজিদ হোসেনপুর গাংগাটিয়া জমিদার বাড়ী তালজাঙ্গা জমিদার বাড়ি ধলা জমিদার বাড়ি বৌলাই জমিদার বাড়ি / সাহেব বাড়ি বেবুদ রাজার দীঘি শাহ মাহমুদ মসজিদ ও বালাখানা সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস(সুকুমার রায়ের বাড়ি) শেখ সাদী মসজিদ কটিয়াদি গোপীনাথ মন্দির
☰ কিশোরগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
কুতুব শাহ মসজিদ

পরিচিতি

কুতুব মসজিদ কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামে অবস্থিত। মসজিদের গায়ে কোন শিলালিপি না থাকায় এর নির্মাণকাল সঠিকভাবে নির্ণয় করা না গেলেও মসজিদের নির্মাণশৈলী ও অলংকরণের ধরন বিশ্লষণ করে ধরে নেয়া হয় যে, কুতুব মসজিদ ষোল শতকের শেষভাগে নির্মিত একটি সুলতানী মসজিদ। বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় টিকে থাকা মুসলিম স্থাপত্যের মধ্যে এই মসজিদটিকে সবচাইতে প্রাচীন বলে মনে করা হয়। মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে লম্বা এবং চার কোণে রয়েছে চারটি অষ্টভূজাকৃতির বুরুজ। বুরুজের উপরে চারটি মিনার শোভা পাচ্ছে। বুরুজগুলোর গায়ে আলঙ্কারিক বলয়ের কাজ রয়েছে। পাঁচ গম্বুজবিশিষ্ট মাঝারী আকারের কুতুব মসজিদের ছাদের ধার বা কার্নিশ বক্রাকার। পাঁচটি গম্বুজের মধ্যে মধ্যের গম্বুজটি অপেক্ষাকৃত বড় এবং চার কোণের চারটি গম্বুজ অপেক্ষাকৃত ছোট। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে তিনটি এবং উত্তর-দক্ষিণে ১টি করে প্রবেশপথ রয়েছে। ভেতরে পশ্চিমের কিবলার দেয়ালে মিহরাব এর সংখ্যা ৩টি। মাঝের মূল মিহরাবটির দুই পাশে অপেক্ষাকৃত ছোট দুটি মিহরাব রয়েছে। কুতুব মসজিদের বাইরের দেয়ালে সুন্দর প্যানেলিং-এর কাজ রয়েছে যা শেরপুরের (বগুড়া) খেরুয়া মসজিদ এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফুল-লতা-পাতা সম্বলিত পোড়ামাটির ফলকও বাইরের দেয়ালের অলংকরণে ব্যবহূত হয়েছে। মসজিদের সামনের খোলা আঙ্গিনার উত্তর-পূর্ব দিকে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি পাকা কবর রয়েছে। ধারণা করা হয় যে, সম্ভবত এটি কুতুব শাহ-এর কবর। তাঁর নামেই মসজিদটি কুতুব শাহ মসজিদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। কুতুব শাহ মসজিদটির বক্রাকার ছাদের কার্নিশ উক্ত সময়ের অন্যান্য মসজিদ থেকে এটিকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য দান করেছে।

সবচে ভালো হলো ট্রেনে যাওয়া। প্রতিদিন সকাল ৭ টায় এগারসিন্দুর প্রভাতি (বুধবার বন্ধ) ছাড়ে কিশোরগঞ্জএর উদ্দ্যেশ্যে। এতে উঠে কুলিয়ারচর নেমে পড়ুন। ভাড়া ১২০ টাকা। এছাড়া গুলিস্তান ফুলবাড়িয়া থেকে বিআরটিসি বাসে করেও কুলিয়ারচর যাওয়া যায়। ভাড়া ২০০ টাকা। যারা ভৈরব হয়ে যেতে চান তারা ভৈরব নেমে সিএনজিতে করে কুলিয়ারচর যাবেন। শেয়ারে ভাড়া নেবে জনপ্রতি ৪০ টাকা। কুলিয়ারচর নেমে একটা রিক্সা নিয়ে চলে যান লঞ্চঘাট। এখান থেকে প্রতিদিন সকাল ৬ টা, ৮ টা, ৯ টা, ১১ টা এমনি করে ৩ টা পর্যন্ত লঞ্চ ছেড়ে যায় অষ্টগ্রাম,ভাড়া ১০০ টাকা। সময় লাগবে সাড়ে ৩ ঘন্টা।


Total Site Views: 846004 | Online: 6