×
কিশোরগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ঐতিহাসিক ইশা খাঁর জঙ্গলবাড়ী এগারসিন্দুর দুর্গ বাংলার প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর বাড়ি ও শিবমন্দির দিল্লির আখড়া শোলাকিয়া ঈদগাহময়দান পাগলা মসজিদ অষ্টগ্রাম হাওর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কুতুব শাহ মসজিদ হোসেনপুর গাংগাটিয়া জমিদার বাড়ী তালজাঙ্গা জমিদার বাড়ি ধলা জমিদার বাড়ি বৌলাই জমিদার বাড়ি / সাহেব বাড়ি বেবুদ রাজার দীঘি শাহ মাহমুদ মসজিদ ও বালাখানা সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস(সুকুমার রায়ের বাড়ি) শেখ সাদী মসজিদ কটিয়াদি গোপীনাথ মন্দির
☰ কিশোরগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

পরিচিতি

বাংলাদেশের বিখ্যাত সর্বজন পরিচিত শিল্পপতি ও সমাজসেবী আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম স্বীয় জন্মস্থান বাজিতপুর থানার ভাগলপুরে গড়ে তুলেছেন জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নামে একটি অত্যাধুনিক ও বহুশয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল।প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৮৯। একই সাথে নার্সিং ইনষ্টিউটের মাধ্যমে ডিপ্লোমা কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। সত্যিকার অর্থে বিবেচনা করলে দেখা যায় যে,ব্যস্ত মহানগরী বা শহুরে সংস্কৃতি থেকে দূরে গ্রামীণমনোরম পরিবেশে বেসরকারী পর্যায়ে এ ধরনের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জন্য এক বিরল ঘটনা। কিশোরগঞ্জ জেলা সে গৌরবের দাবীদার। বাজিতপুর থানা ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোন থেকে প্রাচীন ও সমৃদ্ধিশালী হলেও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ছিল বরাবরই বূর্বল। উচ্চ শিক্ষার ও উন্নত চিকিৎসার সুযোগ ছিল সীমিতএই এলাকার কৃতী সন্তান আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম সে শুন্যস্থান পূরণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আগষ্ট ১৯৯২ থেকে জহুরুল এসলাম মেডিকেল কলেজের শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে ৪০ জন ছাত্রকে নিয়ে।এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে।পল্লী বাংলার কোলে এরুপ বেতিক্রম ধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে বাজিতপুরের জনগন ও উদ্যোক্তা জনাব জহুরুল ইসলাম বিরাট জনগোষ্ঠীর মনে সহজেই দাগ কাতাতে সক্ষম হয়েছেন।

অবস্থান ও যাতায়াত

বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুর গ্রামে।বাজিতপুর উপজেলা সদর হতে দূরত্ব ৩ কিঃ মিঃ। যাওয়ার মাধ্যম রিক্সা।


Total Site Views: 960421 | Online: 6