×
কিশোরগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ঐতিহাসিক ইশা খাঁর জঙ্গলবাড়ী এগারসিন্দুর দুর্গ বাংলার প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর বাড়ি ও শিবমন্দির দিল্লির আখড়া শোলাকিয়া ঈদগাহময়দান পাগলা মসজিদ অষ্টগ্রাম হাওর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কুতুব শাহ মসজিদ হোসেনপুর গাংগাটিয়া জমিদার বাড়ী তালজাঙ্গা জমিদার বাড়ি ধলা জমিদার বাড়ি বৌলাই জমিদার বাড়ি / সাহেব বাড়ি বেবুদ রাজার দীঘি শাহ মাহমুদ মসজিদ ও বালাখানা সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস(সুকুমার রায়ের বাড়ি) শেখ সাদী মসজিদ কটিয়াদি গোপীনাথ মন্দির
☰ কিশোরগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
অষ্টগ্রাম হাওর

পরিচিতি

অষ্টগ্রাম উপজেলা একটি হাওর বেষ্টিত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন উপজেলা। কিশোরগঞ্জ হতে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অষ্টগ্রাম উপজেলার অবস্থান। কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হতে অষ্টগ্রামের দূরত্ব প্রায় ৬০ কি: মি:। বিখ্যাত হাকালুকি ও টাঙ্গুয়ার পাশেই এর অবস্থান। কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম এর পুরোটা, নিকলী, তাড়াইলও করিমগঞ্জের কিছু অংশ, নেত্রকোণার খালিয়াজুড়ী, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জের কিছু এলাকাজুড়ে এই হাওর বিস্তৃত। বর্ষায় বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে মহাসাগরের রুপ নেয়। একটানা সাড়ে ৩ ঘন্টা জলপথ পাড়ি দেয়ে দারুন সব সৌন্দর্য-মণ্ডিত জলবেষ্টিত এ জনপদটি। বর্ষাকালে বড় হাওরে নৌকা ভাসালে মনে হয় অকুল দরিয়া পার হতে যাচ্ছে। কুল নাই কিনার নাই শুধু অশান্ত ঊর্মিমালা উঠানামা করছে বিরামহীন ভাবে। সকালে যখন রক্তলাল সূর্যের উদয় ঘটে তখন মনে হয় ঢেউয়ের ছন্দ দোলায় রক্তিম সূর্য একবার পানির নিচে ডুবছে আবার ভেসে উঠছে। অতি প্রত্যুষে দিগন্ত বিস্তৃত নিস্তব্ধ জলরাশি ভেদ করে চারিদিকে অয়াবীর ছড়িয়ে সূর্য যখন স্বেচ্ছায় তার তেজ সংবরন করে পুর্বদিক থেকে একটি বড় লাল গোলাকৃতি বলের মত লাফিয়ে লাফিয়ে উঠতে থাকে তখন সে দৃশ্য বড়ই চিত্তাকর্ষক। কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে উপজেলা সদরসহ পুরো হাওরবাসীর মাঝে থাকে ঊৎসবের আমেজ। ছন্দের তালে তালে মাঝিদের দাড় বেয়ে নৌকা এগিয়ে নেয়ার দৃশ্য উপভোগ করে শিশু, নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার কয়েক লাখ মানুষ। নিকলী ও আশপাশের বেশ কয়েকটি উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বিপুলসংখ্যক লোকজন নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন সোয়াইজনী নদীর পাড়ে এসে ভিড় জমায়।

অবস্থান ও যাতায়াত

সবচে ভালো হলো ট্রেনে যাওয়া। প্রতিদিন সকাল ৭ টায় এগারসিন্দুর প্রভাতি (বুধবার বন্ধ) ছাড়ে কিশোরগন্জের উদ্দ্যেশ্যে। এতে উঠে কুলিয়ারচর নেমে পড়ুন। ভাড়া ১২০ টাকা। এছাড়া গুলিস্তান ফুলবাড়িয়া থেকে বিআরটিসি বাসে করেও কুলিয়ারচর যাওয়া যায়। ভাড়া ২০০ টাকা। যারা ভৈরব হয়ে যেতে চান তারা ভৈরব নেমে সিএনজিতে করে কুলিয়ারচর যাবেন। শেয়ারে ভাড়া নেবে জনপ্রতি ৪০ টাকা। কুলিয়ারচর নেমে একটা রিক্সা নিয়ে চলে যান লঞ্চঘাট। এখান থেকে প্রতিদিন সকাল ৬ টা, ৮ টা, ৯ টা, ১১ টা এমনি করে ৩ টা পর্যন্ত লঞ্চ ছেড়ে যায় অষ্টগ্রাম। ভাড়া ১০০ টাকা। সময় লাগবে সাড়ে ৩ ঘন্টা। আসার সময় বাজিতপুর হয়ে আসতে পারেন। বিআরটিসির এসি বাস পাবেন সারাদিন। ভাড়া ১৮০ টাকা।


Total Site Views: 1022764 | Online: 5