×
কিশোরগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ঐতিহাসিক ইশা খাঁর জঙ্গলবাড়ী এগারসিন্দুর দুর্গ বাংলার প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর বাড়ি ও শিবমন্দির দিল্লির আখড়া শোলাকিয়া ঈদগাহময়দান পাগলা মসজিদ অষ্টগ্রাম হাওর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কুতুব শাহ মসজিদ হোসেনপুর গাংগাটিয়া জমিদার বাড়ী তালজাঙ্গা জমিদার বাড়ি ধলা জমিদার বাড়ি বৌলাই জমিদার বাড়ি / সাহেব বাড়ি বেবুদ রাজার দীঘি শাহ মাহমুদ মসজিদ ও বালাখানা সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস(সুকুমার রায়ের বাড়ি) শেখ সাদী মসজিদ কটিয়াদি গোপীনাথ মন্দির
☰ কিশোরগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
শাহ মাহমুদ মসজিদ ও বালাখানা

পরিচিতি

শাহ মাহমুদ মসজিদ  অন্যতম আকর্ষণীয় এই স্থাপনাটি ১৬৮০ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল। একটি উঁচু প্লাটফর্মের পেছনে অবস্থিত এই মসজিদটি নিচু দেয়াল দিয়ে ঘেরাও করা হয়েছে। মসজিদে ঢোকার ফটকটি আয়াতক্ষেত্রাকার এবং এটিতে দোচালা ছাদ রয়েছে। ছাদের উপর চার কোণায় অষ্টভুজ চারটি টাওয়ারসহ বর্গাক্ষেত্রাকার এই মসজিদের ভেতরের প্রতিটি দিকের দৈর্ঘ্য .৭৯ মিটার। মসজিদের টাওয়ারগুলোতে ছোট কক্ষ ছিল এবং টাওয়ারগুলো অলংকার দিয়ে সাজানো হয়েছিল। দক্ষিন দিকের টাওয়ারে এখনও সেসব অলংকারের দেখা মেলে। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মিহরাব আছে যেগুলোর মধ্যে মাঝের মিহরাবটি অষ্টভুজ আকারের এবং বাকি পাশের দুটি মিহরাব বর্গক্ষেত্রাকার। মসজিদের মাঝখানের মিহরাব এবং দরজাটি অন্যান্য মিহরাব দরজাগুলোর চেয়ে আকারে বড়। মসজিদের প্রাচীর এবং কার্নিশগুলো মুঘল স্থাপত্যের মত সমান্তরাল। মসজিদের ধনুকাকারের মিহরাবসমূহে টেরাকোটার নকশা করা রয়েছে। মসজিদের মিহরাবের সাথেকার প্রতিটি কলামে পাতা এবং শৃঙ্খলের নকশা রয়েছে এবং ধনুকাকার মিহরাব এবং ছাদের সংযোগস্থলে একসময় টেরাকোটার ফলক ছিল বলে বোঝা যায়। এখানকার মাঝখানের মিহরাবের উপরে বিভিন্ন ফুল সমেত ছোট গাছের নকশা রয়েছে। মসজিদের সম্মুখভাগের চারটি চূড়ার নকশার উত্তর ভারতের ফতেহপুর, আগ্রা এবং দিল্লির মুঘল আমলের মসজিদগুলোর পারস্য নকশার সাথে মিল পাওয়া যায়। মসজিদের উপরে একটি বিশালাকার গম্বুজ রয়েছে এবং এখানকার পূর্বদিকের দেয়ালে টেরাকোটার কাজ ছাড়াও দেয়ালের উপরে, কলামে এবং মিনি মিনারে সে আমলের ব্যয়বহুল নকশার কাজ রয়েছে।

অবস্থান যাতায়াত

কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারোসিন্দুর গ্রামে অবস্থিত


Total Site Views: 848309 | Online: 12