×
গাজীপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ভাওয়াল (রাজপ্রাসাদ) রাজবাড়ী ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান নন্দন পার্ক কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক বড়ইবাড়ি প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট নাগরী টেলেন্টিনুর সাধু নিকোলাসের গীর্জা বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক সুলতানপুর দরগাপাড়া শাহী মসজিদ বেলাই বিল বলধার জমিদার বাড়ী, বাড়ীয়া কাশিমপুর জমিদার বাড়ী গাজীপুর সদর শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ী সাটুরিয়া মখশবিল, কালিয়াকৈর জেলার দর্শনীয় রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট
☰ গাজীপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
নাগরী টেলেন্টিনুর সাধু নিকোলাসের গীর্জা

পরিচিতি

উপজেলার দক্ষিণ পশ্চিম প্রান্তে বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত। খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত একটি ঐতিহাসিক জনগপদ যা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ খ্রীস্টান মিশনারীর মর্যাাদায় আসীন। নাগরীতে ষোড়শ শতকের শেষ দিকে পুর্তগীজ খ্রীস্টানরা আস্তানা ফেলে এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতিক্রমে ১৬৬৪ সনে তারা প্রথম গীর্জা স্থাপন করেন। পরে ১৬৮০ সনে পাকা ইমারত হয় নাগরীর সেন্ট নিকোলাস টলেন্টিনো চার্চ। এখান থেকে কালীগঞ্জের আঞ্চলিক বাংলা ভাষার প্রথম বাইবেল অনুদিত হয়। সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার দ্বিভাষিক অভিধান ও প্রথম গদ্য ছাপার বইও প্রকাশিত হয়। পর্তুগীজ স্থাপত্য নিদর্শনে তৈরী দর্শনীয় সেন্ট নিকোলাস টলেন্টিনো চার্চ ও সাধু আন্তুনীর গীর্জা নাগরীকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বিশেষভাবে যারা বাঙ্গালী খ্রষ্টানদের জীবন-যাপন, আর্থ-সামাজিক অবস্থা, ধর্মীয় আচার আচরণসহ তাদের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তাদের জন্য এটি হতে পারে এক আদর্শ স্থান। এখানে খাওয়ার জন্য বাজারে সাধারণ মানে বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট রয়েছে। আবার পিকনিকে গেলে কাছাকাছি গ্রামের খালি জায়গায় রান্না করে খাওয়া যায়। বর্ষা মৌসুমে এখানে বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রলার যোগে অনেকে পিকনিক করতে আসেন।

অবস্থান ও যাতায়াত

নাগরী, কালীগঞ্জ , ঢাকা থেকে প্রথমে টংঙ্গি তারপর টংঙ্গি হতে সিএনজি দিয়ে নাগরী বললে নিয়ে আসবে । সিএনজি ভাড়া টংঙ্গি হতে ১৬০/- হতে ১৭০ হবে।


Total Site Views: 1002795 | Online: 9