×
গোপালগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

জাতির পিতার সমাধী সৌধ ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি অনন্যা চন্দ্রা ঘাট উলপুর জমিদার বাড়ী ৭১ এর বধ্যভূমি (জয়বাংলা পুকুর) স্মৃতিসৌধ কোর্ট মসজিদ বিল রুট ক্যানেল শুকদেব সেবা আশ্রম আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি চান্দার বিল
☰ গোপালগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
বিল রুট ক্যানেল

পরিচিতি

এই খালটি টেকেরহাটে আড়িয়াল খাঁ নদীকে মধুমতি নদীর সাথে সংযুক্ত করেছে। মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের ঠিক পাশেই অবস্থিত এই খালের মূল সৌন্দর্য হল এটি সরল পথ বজায় রেখে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী ১৮৫৮ সালে স্যার আরথার কটন সর্বপ্রথম এই খাল খননের প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। ১৮৯৯ সালে খননকাজ আরম্ভ হয় এবং কয়েকদফা পরীক্ষা নিরিক্ষার পর ১৯১৪ সালে খালটিকে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই খালটির গভীরতা গড়ে ১৪০ মিটারের কিছু কমবেশি। কুমার নদী এই খালের সাথে সংযুক্ত হয়ে মধুমতি নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। মাদারীপুর জেলার বেশীরভাগ ছোট খাল ও জলাভূমি এই খালের সাথে মিলিত হয়েছে আর একারনেই স্থানীয়রা খালটিকে মাদারীপুর বিল রুট বলে থাকে। বাংলাপিডিয়াতে এই খাল সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন। আড়পাড়া থেকে ফেরার সময় এই খালটি নৌকা দিয়ে অতিক্রম করতে হবে। এই খালের জিপিএস অবস্থান হল (২৩°৩’৬.৮৩”উ, ৮৯°৪৮’৫৭.২৫”পু)। নদীর সাথে যে স্থানে খালটি মিলিত হয়েছে সেখানকার আকার অনেকটা ইংরেজি অক্ষর ‘ওয়াই’ এর মত। এই স্থানে খালের গভীরতা অনেক বেশি হওয়ায় এখানে শুশুক নামে পরিচিত দেশী ডলফিন বাস করে। শুশুকগুলো মাঝেমধ্যেই অল্পশময়ের জন্য পানির উপরে এসে খেলা করে থাকে।

অবস্থান ও যাতায়াত

গোপালগঞ্জ, মাওয়া ফেরী ঘাট। ঢাকা থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গোপালগঞ্জে সড়কপথে মাওয়া ফেরী ঘাট হয়ে যেতে হবে।


Total Site Views: 1284337 | Online: 6