×
ঢাকা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

লালবাগ কেল্লা আহসান মঞ্জিল বাহাদুর শাহ পার্ক রোজ গার্ডেন তারা মসজিদ হোসেনী দালান ঢাকেশ্বরী মন্দির আর্মেনীয় গির্জা বলধা গার্ডেন ওসমানি উদ্যান ও বিবি মরিয়ম কামান রমনা পার্ক শিশুপার্ক তিন নেতার মাজার কার্জন হল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকা চিড়িয়াখানা বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ফ্যান্টাসী কিংডম জাতীয় স্মৃতিসৌধ নভোথিয়েটার ধামরাইয়ের রথের মেলা সাকরাইন, পুরান ঢাকার পৌষসংক্রান্তি ও ঘুড়ি উৎসব মাওলা বক্স মেমরিয়াল ট্রাস্ট
☰ ঢাকা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

পরিচিতি

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ২১ ও ২২ তারিখে ভাষার দাবিতে শহীদদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার তৈরির কাজ শুরু করে। মিনারটি তৈরি হয় মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেলের (ব্যারাক) বার নম্বর শেডের পূর্ব প্রান্তে। কাজ শেষ হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে। মিনার তৈরির তদারকিতে ছিলনে জিএস শরফুদ্দিন (ইঞ্জিনিয়ার শরফুদ্দিন নামে পরিচিত), ডিজাইন করেছিলেন বদরুল আলম। সাথে ছিলেন সাঈদ হায়দার। তাদের সহযোগিতা করেন দুইজন রাজমস্ত্রী। মেডিকেল কলেজের সম্প্রসারনের জন্য জমিয়ে রাখা ইঁট বালি এবং পুরান ঢাকার পিয়ারু সর্দারের গুদাম থেকে সিমেন্ট আনা হয়। ভোর হবার পর একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় মিনারটি। ঐ দিনই অর্থাৎ ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, ২২ ফেব্রুয়ারির শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন। এই দিন পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে। এরপর ঢাকা কলেজেও একটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়, এটিও একসময় সরকারের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হয়। অবশেষে, বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়। এর নির্মান কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে। ১৯৫৬ সালে আবু হোসেন সরকারের মুখ্যমন্ত্রিত্বের আমলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বর্তমান স্থান নির্বাচন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। ১৯৫৬ সালের ২১শে ফ্রেব্রুয়ারি তারিখে জনৈক মন্ত্রির হাতে ‘শহীদ মিনারের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা থাকলেও তাতে উপস্থিত জনতা প্রবল আপত্তি জানায় এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ রিক্সাচালক আওয়ালের ৬ বছরের মেয়ে বসিরণকে দিয়ে এ স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সংগ্রামের প্রতীক এ শহীদ মিনার প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারী ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় আজও।

অবস্থান ও যাতায়াত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন, গুল্লিস্থান, শাহাবাগ ও নিউয়া মার্কেট এলাকা দিয়ে রিক্সা বা গাড়ী নিয়ে যাওয়া যায়।


Total Site Views: 1181109 | Online: 12