×
ঢাকা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

লালবাগ কেল্লা আহসান মঞ্জিল বাহাদুর শাহ পার্ক রোজ গার্ডেন তারা মসজিদ হোসেনী দালান ঢাকেশ্বরী মন্দির আর্মেনীয় গির্জা বলধা গার্ডেন ওসমানি উদ্যান ও বিবি মরিয়ম কামান রমনা পার্ক শিশুপার্ক তিন নেতার মাজার কার্জন হল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকা চিড়িয়াখানা বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ফ্যান্টাসী কিংডম জাতীয় স্মৃতিসৌধ নভোথিয়েটার ধামরাইয়ের রথের মেলা সাকরাইন, পুরান ঢাকার পৌষসংক্রান্তি ও ঘুড়ি উৎসব মাওলা বক্স মেমরিয়াল ট্রাস্ট
☰ ঢাকা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
তিন নেতার মাজার

পরিচিতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দোয়েল চত্ত্বরের পাশে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমুদ্দিন এবং শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের মাজার তিননেতার মাজার হিসেবে পরিচিত। . হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী (জন্ম: সেপ্টেম্বর ৮, ১৮৯২ - মৃত্যু: ডিসেম্বর ৫ ১৯৬৩) বিখ্যাত বাঙ্গালী রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ছিলেন। ১৯২৪ সালে কলকাতা পৌরসভার ডেপুটি মেয়র হন। খাজা নাজিমুদ্দিনের মন্ত্রীসভায় তিনি শ্রমমন্ত্রী, পৌর সরবরাহ মন্ত্রী ছিলেন। পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৪৮- এ পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগ এবং ১৯৪৯-এ পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামি মুসলিম লীগ গঠন করেন। ১৯৫৩ সালে তিনি একে ফজলুল হক এবং মাওলানা ভাসানীর সাথে একত্রে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন। সেপ্টেম্বর ১২, ১৯৫৬ থেকে অক্টোবর ১১, ১৯৫৭ পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫৮ সালে ইস্কান্দার মীর্জা পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারী করেন। ১৯৬২ তে তাকে গ্রেফতার করে করাচি সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়। ১৯৬৩ সালে বৈরুতের হাসপাতালে মারা যান। . খাজা নাজিমুদ্দিন ( ১৯ জুলাই ১৮৯৪ – ২২ অক্টোবর ১৯৬৪) একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর মৃত্যু হলে ১৯৪৮ সালে তিনি পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হন। ১৯৫১ সালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানের মৃত্যুর পর তিনি পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হন। তার সরকার মাত্র দুই বছর ক্ষমতায় ছিল। ১৯৫৩ লাহোর দাঙ্গার পর তিনি মেজর জেনারেল আজম খান ও কর্নেল রহিমউদ্দিন খানের অধীনে পাঞ্জাবে সামরিক আইন জারি করেন। ১৯৫৩ সালের ১৭ এপ্রিল নাজিমুদ্দিনকে পদচ্যুত করা হয়। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ১৯৬৪ সালে ৭০ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। . শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক (অক্টোবর ২৬, ১৮৭৩ - এপ্রিল ২৭, ১৯৬২) বাঙালি রাজনীতিবিদ। বরিশাল পৌরসভা ও জেলা বোর্ডের নির্বাচনের মাধ্যমে এ. কে. ফজলুক হকের রাজনৈতিক জীবনে সূত্রপাত। তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে অধিষ্ঠান করেছেন। তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭ - ১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬ - ১৯৫৮) অন্যতম। যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের উপস্থাপক ছিলেন এ. কে ফজলুক হক। এই লাহোর প্রস্তাবই পরে “পাকিস্তান প্রস্তাব” নামে আখ্যায়িত হয়।

অবস্থান ও যাতায়াত

শাহবাগে, রমনা পার্কের উল্টো পাশে এর অবস্থান।


Total Site Views: 949583 | Online: 6