×
নরসিংদী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

উয়ারী-বটেশ্বর গিরিশ চন্দ্র সেন এর বাড়ি শহীদ আসাদের সমাধিস্থল বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি জাদুঘর ড্রিম হলিডে পার্ক আরশীনগর মিনি চিড়িয়াখানা বালাপুর জমিদার বাড়ি, মাধবদী, নরসিংদী জমিদার মোহনী মোহন সাহার বাড়ী ডাংগা জমিদার বাড়ি পারুলিয়া শাহী মসজিদ বেলাব বাজার কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ পান্থশালা সোনাইমুড়ি পাহাড় আশ্রাফপুর গায়েভী জামে মসজিদ কুমরাদী শাহ মনসুরের মসজিদ ও দরগাহ টুঙ্গিরটেক প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন ধুপিরটেক বৌদ্ধ পদ্ম মন্দির নরসিংদীর ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি/ মনুমিয়ার বাড়ি আমিরগঞ্জ জমিদার বাড়ী/মুন্সী সায়েবুল্লাহ ভূইয়া জমিদার বাড়ী বালাপুর নবীন চন্দ্র সাহা জমিদার বাড়ি বটেশ্বর প্রত্নসংগ্রহশালা ও গ্রন্থাগার আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদ বেলাবো বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
☰ নরসিংদী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি/ মনুমিয়ার বাড়ি

পরিচিতি
ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি সকলের অগোচরে মনু মিয়ার জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। অপরিচিতদের জন্য ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ির চেয়ে মনু মিয়ার জমিদার বাড়ি নামে খুঁজে পাওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ। স্থানীয়রা এনামেই ভালো চেনেন। গুগল ম্যাপে ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি- মিয়া পাড়া রোডে, মনু মিয়ার জমিদার বাড়ি নামে দেখায়। এই বাড়িটি মনু মিয়ার বাড়ি হিসেবে সবাই চিনলেও আসলে এটির প্রকৃত নাম ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি, এবং এই ঘোড়াশাল জমিদার বাড়িতে মোট ৩ টি জমিদার বাড়ি আছে। ১।মৌলভি আবদুল কবিরের বাড়ি। ২।নাজমুল হাসানের বাড়ি। ৩। মনু মিয়ার বাড়ি। আহমদুল কবির মনু মিয়া ছিলেন ঘোড়াশালের জমিদার আবু ইউসুফ লুৎফুল কবির (ডাক নাম ফেনু মিয়া) এর ছেলে। প্রায় দশ একর জাইগা জুড়ে এই জমিদার বাড়ির বাইরে থেকে বোঝার কোন উপায় নায় ভেতরে যে কি অপরূপ সৌন্দর্য অপেক্ষা করে আছে। ভেতরে ঢুকতেই বাম পাশের মসজিদটির দিকে সর্ব প্রথম নজর পড়বে।প্রতিটি বাড়িই অসাধারণ কারুকাজ আর সাদা রঙে রাঙায়িত। সেই সাথে সবুজ ঘাস এবং গাছ পালার বিস্তৃতি এক অপরূপ সৌন্দর্যে রুপ দেয়। ভেতরে রয়েছে আলিসান ভাবে শান বাধানো দুইটি পুকুর। রহেছে অসংখ্য ল্যাম্প পোস্ট। রহেছে বহু ফুলের গাছ এবং ৪ প্রকার কাঠ গোলাপ ফুলের গাছ। কোন ভাবেই বোঝার উপায় নায় যে এটির বয়স হয়েছে। খোলামেলা আর গাছ-গাছালিই মনুমিয়ার জমিদার বাড়ির অন্যতম বৈশিষ্ঠ। ভেতরের পরিবেশ দেখলেই বোঝা যায় যে বাড়ির মালিক কতটা রুচিশীল এবং আরাম আয়েশ প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। মনুমিয়ার খোলামেলা পরিপাটি এই বাড়িটি আপনার মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে তুলবে। আপনারা ২ এবং ৩ নং বাড়িটা দেখতে তেমন কোন সমস্যায় পড়বেন না, তবে গিয়ে প্রবেশের এবং ছবি তোলার অনুমতি নিয়ে নিবেন। আর ১ নং বাড়িটা ভাগ্য ভালো থাকলে দেখতে পারবেন না থাকলে পারবেন না। গেটে দারোয়ান থাকে আবার থাকে না, উনি সব সময় ভিতরে থাকে। অপেক্ষা করে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবেন। এটা কোন টুরিস্ট স্পর্ট না তাই, দলবল নিয়ে না গিয়ে ৩ / ৪ জন মিলে যান সব দিক থেকে সুবিধা আর ঘোরাফেরাও ভালো লাগবে, দলবল নিয়ে গেলে ঢুকতে নাও দিতে পারে।

অবস্থান ও যাতায়াত

বাসে এলে, ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে উত্তরা, পিপিএ, বাদশা এবং আরো কিছু বাস আব্দুল্লাহপুর, টঙ্গী, ঘোড়াশাল হয়ে নরসিংদী যায়। ঘোড়াশাল নেমে যে কাউকে জিজ্ঞাসা করলেই দেখিয়ে দেবে। ট্রেনে কমলাপু রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে সকাল ৮.৩০ মিনিটে কর্নফুলি ট্রেন ছেড়ে যায়। আপনারা ঐ ট্রেনে উঠে চলে যান, ঘোড়াশাল নামবেন। নেমে যে কাউরেই জিজ্ঞাসা করবেন দেখিয়ে দিবে। এবং আসার সময় বাসে করে চলে আসবেন কারন আসার ট্রেন সন্ধ্যায় ঘোড়াশালে আসে।


Total Site Views: 1161764 | Online: 5