×
নরসিংদী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

উয়ারী-বটেশ্বর গিরিশ চন্দ্র সেন এর বাড়ি শহীদ আসাদের সমাধিস্থল বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি জাদুঘর ড্রিম হলিডে পার্ক আরশীনগর মিনি চিড়িয়াখানা বালাপুর জমিদার বাড়ি, মাধবদী, নরসিংদী জমিদার মোহনী মোহন সাহার বাড়ী ডাংগা জমিদার বাড়ি পারুলিয়া শাহী মসজিদ বেলাব বাজার কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ পান্থশালা সোনাইমুড়ি পাহাড় আশ্রাফপুর গায়েভী জামে মসজিদ কুমরাদী শাহ মনসুরের মসজিদ ও দরগাহ টুঙ্গিরটেক প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন ধুপিরটেক বৌদ্ধ পদ্ম মন্দির নরসিংদীর ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি/ মনুমিয়ার বাড়ি আমিরগঞ্জ জমিদার বাড়ী/মুন্সী সায়েবুল্লাহ ভূইয়া জমিদার বাড়ী বালাপুর নবীন চন্দ্র সাহা জমিদার বাড়ি বটেশ্বর প্রত্নসংগ্রহশালা ও গ্রন্থাগার আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদ বেলাবো বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
☰ নরসিংদী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদ

পরিচিতি

ঐতিহাসিক আটকান্দি নীল কুঠি মসজিদটি মওলানা আলীম উদ্দিন প্রায় ২৫০ বছরের অধিক সময় আগে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার ছায়া সুনিবিড় গাছগাছালি দ্বারা বেষ্টিত আটকান্দি গ্রামে মেঘনা নদীর (ছোট মেঘনা নদী) পাড়ে নির্মান করেন। মওলানা আলীম উদ্দিন একজন ধার্মিক মানুষ ছিলেন। তিনি দেওবন্দ হতে শিক্ষা গ্রহন করে পরবর্তীতে ঢাকায় এক মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদের পাশেই মওলানা আলীম উদ্দিনের স্ত্রীর কবর।

আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদটিতে একটি কেন্দ্রীয় মেহরাব রয়েছে। গম্বুজ বিশিষ্ট এর মধ্যে মূল মসজিদে গম্বুজ রয়েছে টি মাঝের গম্বুজটি পাশের গম্বুজ হতে অপেক্ষাকৃত বড় আর মূল মসজিদের বাহিরে বারান্দায় গম্বুজ রয়েছে টি। এই গম্বুজ গুলো মসজিদের মূল গম্বুজ থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট। মসজিদের বারান্দা দিয়ে মূল মসজিদে প্রবেশ পথ রয়েছে টি এবং বারান্দার পাশে টি। বারান্দা থেকে মূল মসজিদে ভিতরে প্রবেশ পথ রয়েছে টি। আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদটি কে অনেকে মোঘল স্থাপত্যশৈলীর সাথে তুলনা করেন আবার অনেক মসজিদ টি কে তাজমহলের সাথে তুলনা করেন কারন মসজিদের গম্বুজ গুলো তাজমহলের গম্বুজের মত দেখতে।

একই সাথে মসজিদের পাশেই মওলানা আলীম উদ্দিনের স্ত্রীর কবর রয়েছে ধারনা করা হয় স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা এবং আবেগ থেকেই মওলানা আলীম উদ্দিন এই মসজিদ নির্মান করেন প্রতিদিনই এই ঐতিহাসিক মসজিদটিকে দেখতে অনেক ঐতিহ্যপ্রেমী এবং ভ্রমণ পিপাসু মানুষ দূরদূরান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন।মসজিদটিতে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয় কিন্তু নির্মানের পর হইতে মসজিদটিতে কোন সংস্কার না করার ফলে বর্তমানে মসজিদের ভিতরে এবং বাহিরের অবস্থা খুবই নাজুক। অল্প বৃষ্টিতেই মসজিদের দেয়াল দিয়ে মসজিদের ভিতরে পানি প্রবেশ করে তাই অতিসত্বর ঐতিহাসিক এই মসজিদটি কে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের আওতাভুক্ত করে সংস্কার করা প্রয়োজন। যদি এখনি সঠিক ভাবে সংস্কার করা না যায় তাহলে কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে আরো একটি ঐতিহাসিক নির্দশন।

অবস্থান ও যাতায়াত

নরসিংদীর রায়পুরাতে অবস্থিত এই মসজিদটি


Total Site Views: 1089246 | Online: 10