×
নরসিংদী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

উয়ারী-বটেশ্বর গিরিশ চন্দ্র সেন এর বাড়ি শহীদ আসাদের সমাধিস্থল বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি জাদুঘর ড্রিম হলিডে পার্ক আরশীনগর মিনি চিড়িয়াখানা বালাপুর জমিদার বাড়ি, মাধবদী, নরসিংদী জমিদার মোহনী মোহন সাহার বাড়ী ডাংগা জমিদার বাড়ি পারুলিয়া শাহী মসজিদ বেলাব বাজার কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ পান্থশালা সোনাইমুড়ি পাহাড় আশ্রাফপুর গায়েভী জামে মসজিদ কুমরাদী শাহ মনসুরের মসজিদ ও দরগাহ টুঙ্গিরটেক প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন ধুপিরটেক বৌদ্ধ পদ্ম মন্দির নরসিংদীর ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি/ মনুমিয়ার বাড়ি আমিরগঞ্জ জমিদার বাড়ী/মুন্সী সায়েবুল্লাহ ভূইয়া জমিদার বাড়ী বালাপুর নবীন চন্দ্র সাহা জমিদার বাড়ি বটেশ্বর প্রত্নসংগ্রহশালা ও গ্রন্থাগার আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদ বেলাবো বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
☰ নরসিংদী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
কুমরাদী শাহ মনসুরের মসজিদ ও দরগাহ

পরিচিতি

নরসিংদী জেলার সবচেয়ে প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম পুরাকীর্তি হলো শিবপুর উপজেলার কুমরাদী গ্রামে অবস্থিত শাহ মনসুরের দরগা। কতিথ আছে এই দরগাটি সুলতানী আমলে নির্মিত। কুমরাদী গ্রামটি প্রাচীনকাল থেকেই ইসলামী পন্ডিত শাহ মনসুর ও তার নির্মিত ধর্মীয় শিক্ষাকেন্দ্র এবং মসজিদের জন্য বিখ্যাত। দরগাটি ছিল এক গম্বুজ বিশিষ্ট চুন সুরকীতে নির্মিত। মসজিদটি ছোট হলেও এর নির্মাণ শৈলীর মাঝে প্রাচীনত্বের ছাপ পরিলক্ষিত হয়। সুলতানী আমলের কারুকার্যে মসজিদের চার কোণায় ৪টি পিলার নির্মিত। মসজিদটির মেঝে ভূমি থেকে প্রায় ৩ ফুট উঁচুতে নির্মিত। পূর্ব দিকে মসজিদের প্রশস্ত খোলা বারান্দা ও গম্ভুজের শীর্ষে ছোট চূড়া দেখে যায়। এর পূর্বে ও উত্তরে দুটি দরজা রয়েছে। মসজিদের পূর্ব পাশে দরগাটির অবস্থান। ভবনের মধ্য প্রকোষ্ঠে দু’টি সমাধি রয়েছে। সমাধি প্রকোষ্ঠ প্রবেশের দরজার উপরে একটি শিলালিপি স্থাপিত ছিল। কিন্তু এক সময় শিলালিপিটি এখান থেকে চুরি হয়ে যায়। শিলালিপিটি থাকলে হয়তো এই মাজার সম্পর্কে সঠিক ইতিহাস জানা যেত। সমাধির মাঝে কালেমা খোদাই করে লেখা রয়েছে। বর্তমানে কালেমা লেখা অধিকাংশই উঠে গেছে। প্রকোষ্ঠের তিন দিকের দেয়ালে ৬টি করে কুলুঙ্গি কাটা রয়েছে। ধারণা করা হয়, এসব কুলুঙ্গিতে বাতি জ্বালিয়ে ধর্মীয় সাধনা কিংবা জ্ঞানার্জন করা হতো। পশ্চিম পাশের বড় কক্ষটি দরগা রক্ষনাবেক্ষণে নিয়োজিত ব্যক্তিদে;র আবাসিক প্রকোষ্ঠ হিসাবে ব্যবহৃত হতো। প্রায় ২০ ফুট ভবনের বাইরের দিকে ছাদের কার্নিশে খচিত অলংকরণ দেখে অনেকে ধারণা করেন এটি সুলতানি আমলে নির্মিত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দরগাটি শাহ মনসুর ও তার স্ত্রীর এবং দরগা সংলগ্ন মসজিদটি শাহ মনসুর কর্তৃক নির্মিত। মসজিদ ও দরগার পানীয় জলের অভাব মোচনের জন্য এক বিঘা জমিতে একটি পুকুর কাটা হয়েছিল। পুকুরটি বর্তমানে অক্ষত রয়েছে।

অবস্থান ও যাতায়াত

ইটাখোলা বাস স্টেশন হতে রিক্সা/সিএনজি যোগে কুমরাদী যাওয়া যায়


Total Site Views: 960567 | Online: 9