×
মুন্সীগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ইদ্রাকপুর কেল্লা পদ্মা রিসোর্ট মাওয়া রিসোর্ট হযরত বাবা আদম শহীদ (র.) এর মসজিদ বার আউলিয়ার মাজার অতীশ দীপঙ্করের পণ্ডিত ভিটা রাজা বল্লাল সেনের দিঘী বা রামপালের দিঘী বিক্রমপুর যাদুঘর ও নৌকা মিউজিয়াম শ্যামশিদ্ধির মঠ সোনারং জোড়া মঠ স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু জাদুঘর ইতিহাসের সাক্ষী নাটেশ্বরের দেউল ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী
☰ মুন্সীগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
শ্যামশিদ্ধির মঠ

পরিচিতি

মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার শ্রীনগর বাজারের পশ্চিম দিকে শ্যামসিদ্ধি গ্রামে অবস্থিত এ মঠ। এর দক্ষিণ দিকের প্রবেশ পথের উপরে রয়েছে বাংলা শিলালিপি। সেটা থেকে জানা যায় ১৮৩৬ সালে বিক্রমপুরের জনৈক ধনাঢ্য ব্যক্তি শম্ভুনাথ মজুমদার এটি নির্মাণ করেন। জনশ্রুতি আছে সম্ভুনাথ স্বপ্নে তার স্বর্গীয় পিতার চিতার উপরে মঠ নির্মাণের নির্দেশ পান। তারপর তিনি এই স্থাপনা তৈরি করেন। প্রায় ২৪১ ফুট উঁচু এই মঠ দিল্লীর কুতুব মিনারের চেয়েও পাঁচ ফুট উঁচু। তাই এটি ভারত উপমহাদেশের সর্বোচ্চ মঠ। অষ্টভুজ আকৃতির এ মঠের দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে ২১ ফুট। চুন-সুরকি দিয়ে তৈরি মঠের দেয়াল বেশ পুরু। প্রাচীন স্থাপনাটি দেখতে এখনো প্রতিদিন অনেক মানুষ ভিড় করে শ্যামসিদ্ধিতে। মঠের উপরের দিকে বাইরের দেয়াল জুড়ে অনেক খোড়ল। এগুলোতে বাসা বেঁধেছে শত শত সবুজ টিয়া, ঝুটি শালিক। তাই মঠটি সবসময়ই পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে। একেবারেই অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে মহামূল্যবান এ স্থাপনা। মঠের গায়ের মূল্যবান পাথর, পিতলের কলস খোয়া গেছে বহু আগে। সবশেষে ১৯৯৫ সালে চুরি হয়ে যায় মঠের ভেতরে রাখা তিন ফুট উঁচু কষ্টি পাথরের শিবলিঙ্গ। মঠের বহু পুরানো নকশা করা কাঠের দরজা জানালাও খোয়া গেছে অনেক আগে। এতকিছু চলে গেলেও প্রাচীন এই মঠের সৌন্দর্যে সামান্য ভাটা পড়েনি। তবে এর সৌন্দর্যে অনেকটাই ব্যাঘাত ঘটিয়েছে প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর। সংস্কার কাজের জন্য মঠের বাইরের দিকে কয়েক বছর ধরে বাঁশ বেধে রাখা হলেও সংস্কারের নাম নেই। শুধুমাত্র মঠের বাইরের দিকে সতর্কবাণী সংবলিত একটি সাইনবোর্ড লাগিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে দেশের প্রাচীন স্থাপনা দেখভাল করার সরকারী এ সংস্থা।

অবস্থান ও যাতায়াত

শ্রীনগর থেকে সহজেই রিকশায় করে শ্যামসিদ্ধি গ্রামে যাওয়া যায়। রাজধানীর গুলিস্তান থেকে শ্রীনগরের বাসে ছাড়ে।


Total Site Views: 848377 | Online: 7