×
মুন্সীগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

ইদ্রাকপুর কেল্লা পদ্মা রিসোর্ট মাওয়া রিসোর্ট হযরত বাবা আদম শহীদ (র.) এর মসজিদ বার আউলিয়ার মাজার অতীশ দীপঙ্করের পণ্ডিত ভিটা রাজা বল্লাল সেনের দিঘী বা রামপালের দিঘী বিক্রমপুর যাদুঘর ও নৌকা মিউজিয়াম শ্যামশিদ্ধির মঠ সোনারং জোড়া মঠ স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু জাদুঘর ইতিহাসের সাক্ষী নাটেশ্বরের দেউল ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী
☰ মুন্সীগঞ্জ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
সোনারং জোড়া মঠ

পরিচিতি

টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামে অবস্থিত পাশাপাশি দুটি মঠ। মন্দিরের একটি নামফলক থেকে জানা যায় রূপচন্দ্র নামে এক হিন্দু বণিক জোড়া মঠের নির্মাতা। স্থাপনা দুটি মঠ নামে পরিচিতি পেলেও আসলে এগুলো হিন্দু মন্দির। দুটি মন্দিরের বড়টি কালীমন্দির আর ছোটটি শিবমন্দির। রূপচন্দ্র মন্দির দুটি যথাক্রমে ১৮৪৩ ও ১৮৮৬ সালে নির্মাণ করেন। চুন-সুড়কি আর ইট দিয়ে তৈরি এই স্থাপনা দুটিরই প্রধান উপাসনালয় কক্ষের সঙ্গে রয়েছে বারান্দা। মন্দিরের সামনে আছে বড় আকারের একটি পুকুর। জনশ্রুতি আছে বড় মন্দিরটি নির্মাণের সময় এ পুকুরটি খনন করা হয়। এই মন্দির দুটির বাইরের দেয়ালেও আছে অসংখ্য ফোকর। যাতে নানান পাখির বাস। তাই জোড়ামঠ দেখার সঙ্গে সঙ্গে এখানে নানান পাখিরও দেখা মিলবে। এই স্থাপনা থেকেও অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র খোয়া গেছে বিভিন্ন সময়ে। মন্দিরের শিখরে দণ্ডায়মান ত্রিশুলটি বাঁকা হয়ে আছে। এটিও কয়েকবার চুরির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে দুষ্কৃতকারীরা। মন্দিরের দেয়াল অযত্ন অবহেলায় খসে পড়ছে। কোথাও কোথাও ধরেছে বড় ধরনের ফাটল। এ স্থাপনাগুলোতেও প্রত্নতত্ব অধিদপ্তরের সাইনবোর্ড টাঙানো ছাড়া আর কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়েনি।

অবস্থান ও যাতায়াত

টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামে অবস্থিত। শ্রীনগর থেকে লোকাল বাস যায় টঙ্গীবাড়ী। এছাড়া ঢাকার গুলিস্তান থেকেও বাসে চড়ে টঙ্গীবাড়ী যাওয়া যায়। সেখান থেকে অটো রিকশায় যাওয়া যাবে সোনারং গ্রামে। তবে এ ভ্রমণ সুন্দরভাবে উপভোগ করতে চাইলে নিজস্ব বাহন নিয়ে যাওয়া ভালো। সে সামর্থ না থাকলে কয়েকজন মিলে গাড়ি ভাড়া করে নেওয়া যেতে পারে।


Total Site Views: 960295 | Online: 4