×
ঝালকাঠী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

শিব বাড়ি মন্দির ও ঠাকুর বাড়ি ধর্ম প্রচারক আলহাজ্ব মোঃ লেহাজ চাঁন চিশতী (রহঃ)এর মাজার কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ী বেশনাই মল্লিকের দিঘি গাবখান সেতু সিটি পার্ক হযরত দাউদ শাহের মাজার মিয়া বাড়ি মসজিদ শেরে বাংলার নানা বাড়ী গালুয়া পাকা মসজিদ
☰ ঝালকাঠী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
গালুয়া পাকা মসজিদ

পরিচিতি

মাহমুদ জান আকন (মামুজী) নামক এক ধর্মপ্রাণ মুসলমান বাংলা ১১২২ সালে এটি নির্মাণ করেন। মসজিদের কাছে পরিত্যক্ত একখন্ড শিলালিপি হতে এর নির্মাণ সাল উদ্ধার করা হয়। মাত্র ৭৫/৮০ বছর পূর্বেও এই মসজিদটি ঘন জঙ্গলে আবৃত ছিল। সে সময়ের পীর সাহেব জনাব মাহতাবউদ্দিনের সহযোগিতা, আন্তরিকতা এবং নেতৃত্বে এটি সংঙ্কার করা হয়। কথিত রয়েছে যখন মসজিদটির সংলগ্ল ঝোপ ঘন জঙ্গল সাফ করা হয় তখন বড় বড় বিষধর সাপ এখান থেকে বেরিয়ে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে হুজুর নির্দেশ দিলেন যে, মসজিদটির চারদিকের একদিক খোলা রাখতে। দেখা গেলো সাপগুলো খোলা দিক দিয়ে বেরিয়ে গেলো এবং এরপর মসজিদটিকে নামাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা হলো। এই মসজিদটি অতি প্রাচীন হওয়ায় আস্তে আস্তে ভেঙ্গে পড়ছিল। তখন প্রতিবেশী জনৈক সমাজসেবী ধর্মপ্রাণ আলহাজ্জ আব্দুল কুদ্দুস খানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এটি ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ অধিগ্রহণ করে। অতঃপর ২০০৬ সালে উক্ত বিভাগের নিজস্ব কারিগর দ্বারা পূর্বে অবিকল নকশায় পুনঃ নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে জামাতের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয়ে থাকে। তাই এটি দেশের একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনও বটে।[তথ্য সংগ্রহ, ছবি দি ঢাকা টাইমস]


অবস্থান ও যাতায়াত

গালুয়া পাকা মসজিদ বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর জেলায় অবস্থিত।এই মসজিদটি ভান্ডারিয়া-রাজাপুর মহাসড়কের গালুয়া বাজার এলাকা থেকে এক কিলোমিটার পূর্বে দূর্গাপুর গ্রামে অবস্থিত।


Total Site Views: 1100801 | Online: 6