×
পটুয়াখালী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

কুয়াকাটা কুয়াকাটা ও সংলগ্ন স্থান সমুহ আঃ রাজ্জাক বিশ্বাসের সাপের খামার লাউকাঠী ওয়াপদা কলনী দিঘি মির্জাগঞ্জের মাজার ১নং চাকামইয়া ইউনিয়ন ও কলাপাড়া সংযোগ ব্রীজ। শ্রীরামপুর প্রাচীন জমিদার বাড়ি শ্রীরামপুর প্রাচীন আমরের মসজিদ এশিয়ার প্রথম ‘পানি জাদুঘর’ কুয়াকাটা ইকোপার্ক পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দশমিনা বীজ বর্ধন খামার পায়রা বন্দর বাউফলে বলাই-কানাই দিঘী সোনারচর বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান
☰ পটুয়াখালী জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
এশিয়ার প্রথম ‘পানি জাদুঘর’

পরিচিতি

নদ-নদী ও পানিসম্পদ রক্ষায় নীতিনির্ধারকদের আরও উদ্যোগী করে তোলা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উদ্বোধন করা হয়েছে দেশের প্রথম পানি জাদুঘর। কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কের পাখিমারা বাজারসংলগ্ন এলাকার এক দ্বিতল ভবনে এই জাদুঘর। বুয়েটের সহযোগিতায় জাদুঘরের নকশা প্রণয়নসহ বিভিন্ন কাজ করা হয়েছে। এর নির্মাণের উদ্যোক্তা বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ। পানি জাদুঘরে এ দেশের নদ-নদীগুলোর নাম-পরিচয়, হারিয়ে যাওয়া নদী ও বর্তমান নদীর ছবি, নদীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত তথ্য জানা যাবে। এখানে রাখা হয়েছে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, বুড়িগঙ্গা, আন্ধারমানিকসহ ১০টি নদীর পানির নমুনা। বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৭টি আন্তর্জাতিক অভিন্ন নদীর পানির নমুনা রাখার পরিকল্পনা আছে ভবিষ্যতে। এ ছাড়া হাঁড়ি-পাতিল, মাটির তৈরি সামগ্রী আছে জাদুঘরে। একসময় ঘরে ঘরে কাঁসার জিনিসপত্রের যে তৈজসপত্র ছিল তারও দেখা মিলছে এখানে। আছে মাছ ধরার জাল, চাইসহ বিভিন্ন উপকরণও। পানি জাদুঘরের সামনেই আছে একটি নৌকা। এটি অর্ধেক বালুতে ডোবানো। নদী মরে যাওয়ার গল্পের প্রতীক এটি। এখন নদীপাড়ের মানুষের জীবনও শুকিয়ে যাচ্ছে। বালুতে আটকে যাওয়া এ নৌকার মাধ্যমে তা তুলে ধরা হয়েছে। নৌকার বুকে বিঁধে আছে দুটি গজাল, যা নদীমাতৃক এই দেশকে মেরে ফেলার চেষ্টার প্রতীক।


অবস্থান ও যাতায়াত

পটুয়াখালীর কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কের পাখিমারা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এটির অবস্থান।


Total Site Views: 1081698 | Online: 9