×
ভোলা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল যাদুঘর চর মনপুরা চর কুকরি মুকরি দেউলি মনপুরা ফিশারিজ লিমিটেডি ঢাল চর মনপুরা ল্যান্ডিং স্টেশন জ্যাকব টাওয়ার- চরফ্যাশনে উপমহাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার ভোলার বাংলাবাজারে স্বাধীনতা জাদুঘর
☰ ভোলা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
ভোলার বাংলাবাজারে স্বাধীনতা জাদুঘর

পরিচিতি

মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতার ইতিহাস সংরক্ষণ ও তুলে ধরার লক্ষ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের পৃষ্ঠপোশকতায় তার মায়ের নামে ভোলার বাংলাবাজারে প্রতিষ্ঠিত ফাতেমা খানম কমপেক্সে এই স্বাধীনতা জাদুঘর নির্মিত হয়। ৪৭-এর দেশ বিভাগের পর থেকেই বাংলার স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস ধারাবাহিকভাবে দুর্লভ সংরক্ষণ পাওয়া যাবে এখানে। তিনতলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন এ স্থানপনাকে সাজানো হয়েছে মক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোকে। জাদুঘরটিতে একদিকে গবেষণাগার এবং অপরদিকে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে রয়েছে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের তথ্য। ভাষা অন্দোলন থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিকতা দেখতে ও জানতে পারবে নতুন প্রজন্ম। এছাড়া সেখানে একটি অংশে বাঙালির লোকজ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথম তলাকে সাজানো হয়েছে তিনটি ভাগে। উত্তর পাশে লাইব্রেরি, দক্ষিণ পাশে অডিটরিয়াম এবং মাঝখানে ডিজিটাল প্রদর্শনী হল। বৃটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ৪৭-এর দেশবিভাগ, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, দুর্লভ আলোকচিত্র রয়েছে প্রথম তলার গ্যালারিতে। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে ৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট, ৫৮-এর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ৬২'র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬'র ছয় দফা আন্দোলন ও ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান, ৭০'র সাধারণ নির্বাচন, ৭ই মার্চের অসহযোগ আন্দোলন, ৭১'র মুক্তিযুদ্ধ ও ১৬ ডিসেম্বরের পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের আলোকচিত্রের প্রতিচ্ছবি। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের অডিও ও ভিডিও প্রর্দশনী রয়েছে যা টাচস্ক্রিনের স্থিরচিত্রে দেখতে পাওয়া যাবে। তৃতীয় তলায় রয়েছে স্বাধীনতা অর্জনের সঙ্গে সংগ্রাম থেকে শুরু করে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাক্ষী বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজন নেতা তোফায়েল আহমেদ'র বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে স্থিরচিত্র। এই জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধের একটি আর্কাইভও থাকবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে জনগণকে সম্পৃক্ত করে এই জাদুঘরের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হবে, যা দেশের প্রতি তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুনের মেধা ও মমন, কবি তারিক সুজাতের থিমে সজ্জিত এবং স্থাপত্য শিল্পী ফেরদাউস আহমেদের নকশায় নিরলস পরিশ্রমে জাদুঘরটি অন্যতম সংগ্রহশালায় পরিণত হয়েছে। ২০১৫ সালে জাদুঘরটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।


অবস্থান ও যাতায়াত

ভোলার উপশহর খ্যাত বাংলাবাজারে


Total Site Views: 850763 | Online: 11