×
শেরপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

গজনী অবকাশ কেন্দ্র মধুটিলা রাজার পাহাড় ও বাবেলাকোনা সৌন্দর্যের লীলা ভূমি নেওয়াবাড়ি টিলা পানিহাটা-তারানি পাহাড় কলা বাগান সুতানাল দীঘি কান্দাপাড়া অর্কিড গার্ডেন পর্যটন প্রকল্প ক্যাথলিক খ্রীষ্টানদের তীর্থস্থান বারোমারি ‘সাধু লিউর খ্রীষ্ট ধর্মপল্লি’ সন্ধ্যাকুড়া জিএস রাবার বাগান অপূর্ব স্থাপত্য নিদর্শন ঘাঘড়া খান বাড়ি জামে মসজিদ নয়আনী জমিদার বাড়ি ও রঙ মহল
☰ শেরপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
নয়আনী জমিদার বাড়ি ও রঙ মহল

পরিচিতি

নয়আনী জমিদার বাড়ি ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলা সদরে অবস্থিত তৎকালীন একটি জমিদার বাড়ি। জমিদার বাড়িটি বর্তমানে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ২০১৪ সালে স্থাপনাবিহীন এই পুরাকীর্তিকে প্রত্নতত্ত্বের তালিকায় লিপিবদ্ধ করে। আনুমানিক উনিশ শতকের শেষ দিকে অথবা আঠারোশ' শতকের শেষের দিকে নয়আনী জমিদার বাড়িটি স্থাপন করা হয়ে থাকে। তৎকালীন সময়ে বাড়িটির চারপাশে জলাধার দিয়ে ঘেরা ছিলো ও আশেপাশে প্রার্থনার উদ্দেশ্যে আরও বেশ কয়েকটি মন্দিরও নির্মাণ করা হয়েছিলো। এছাড়াও এর পাশেই ছিলো রঙ মহল। উপমহাদেশে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর ও ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় নয়আনীর তৎকালীন জমিদার বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারত চলে যান। তৎকালীন নয়আনী জমিদার তার বাড়ির পাশে রংমহলটি স্থাপন করেন। জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত ও দেশবিভাগের পর মহলটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ১৯৬৪ সালে শেরপুর কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হলে এটি কলেজের ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ১৯৯২ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক আব্দুস সালাম রংমহলটির কিছু অংশের সংস্কার করেন। তিনি মহলটিকে স্থানীয় পুরাকীর্তি সংগ্রহশালা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০০৩ সালে জেলা প্রশাসক এবিএম আব্দুস সাত্তারের সময়ে স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও মহলটি ভেঙ্গে ফেলা হয় ও নিলামে বিক্রি করে দেয়া হয়। ১৯৪৭ সালের পর থেকে জমিদার বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে থাকে। এরপর ১৯৬৪ সালে শেরপুর কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে নয়আনী জমিদার বাড়ি ও এর রঙমহল কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্য উন্মুক্ত করে সেটি ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত জমিদার বাড়িটি প্রথমে শেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৯০-এর দশকের শুরুর দিকে জমিদার বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলা হয় ও সেখানে নতুন করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবন তৈরি হয়।


অবস্থান ও যাতায়াত

শেরপুর কলেজ এলাকা


Total Site Views: 774204 | Online: 8