×
শেরপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

গজনী অবকাশ কেন্দ্র মধুটিলা রাজার পাহাড় ও বাবেলাকোনা সৌন্দর্যের লীলা ভূমি নেওয়াবাড়ি টিলা পানিহাটা-তারানি পাহাড় কলা বাগান সুতানাল দীঘি কান্দাপাড়া অর্কিড গার্ডেন পর্যটন প্রকল্প ক্যাথলিক খ্রীষ্টানদের তীর্থস্থান বারোমারি ‘সাধু লিউর খ্রীষ্ট ধর্মপল্লি’ সন্ধ্যাকুড়া জিএস রাবার বাগান অপূর্ব স্থাপত্য নিদর্শন ঘাঘড়া খান বাড়ি জামে মসজিদ নয়আনী জমিদার বাড়ি ও রঙ মহল
☰ শেরপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
কান্দাপাড়া অর্কিড গার্ডেন পর্যটন প্রকল্প

পরিচিতি

শেরপুর জেলা শহরের মধ্যেই ব্যাক্তি উদ্দোগে গড়ে তোলা হয়েছে অর্কিড পর্যটন প্রকল্প। এ প্রকল্পে’র চারিদিকে রয়েছে সারি সারি দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির সবুজ গাছ, মাঠ জুড়ে রয়েছে সবুজ ঘাস আর সান বাঁধানো পুকুর। পুকুরের চারপাশে মাছ খেতে বসে থাকে সাদা-সাদা বক। সবুজ বাতায়নের ওই অর্কিড প্রঙ্গনের খাঁচায় খেলা করছে বানর, টার্কিছ, খোরগোশসহ দেশীয় বিভিন্ন জীবজন্তু। পিয়জন অথবা বন্ধ-বান্ধবদের নিয়ে বসে আড্ডা দেয়ার জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি ছাতা এবং ছাতার নিচে রয়েছে বসার জন্য রয়েছে চেয়ার। চা, কফি ও সেভেন-আপ বা কোকাকোলা পানের জন্য রয়েছে ছনের তৈরী সুদৃশ্য ক্যান্টিন এবং রেস্ট হাউজ। এ যেন শহরের মধ্যে এক খন্ড সবুজের লীলা ভুমি। পরিবার-পরিজন নিয়ে হাতে কাছে বেড়ানো বা শহুরে জীবনের এক ঘিয়েমি কাটাতে চমৎকার একটি পারিবারিক বিনোদক কেন্দ্র এই ‘অর্কিড পর্যটন কেন্দ্র’। শেরপুর জেলা শহরের পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের শেরপুর-ঝিনাইগাতী ফিডার রোডর সংলগ্ন কান্দাপাড়া মহল¬লার স্থানীয় চাতাল ব্যাবসায়ী ও সৌখিন মনের অধিকারী মো: আজাহার আলী ১৯৯০ সালে প্রাথমিক ভাবে তার ধানের খলার পাশেই প্রায় সারে ৫ একর জমির উপর সম্পুর্ন ব্যাক্তি খরচে নানা জাতের দেশী-বিদেশী বনজ ও ফলদ গাছ-গাছরা রোপন করে গড়ে তুলেন ‘অর্কিড’ বাগান। সেসময় ওই বাগান ‘কলা বাগান’ হিসেবে পরিচিত লাভ করেছিল। এরপর নানা প্রতিকুলতার মধ্যে ওই বাগানের সৌন্দর্য হারানোর পর আবার ২০০৮ সাল থেকে অর্কিড মালিক আজাহার আলী তার মনের মাধুরি মিশিয়ে প্রচুর টাকা খরচ করে নানা অবকাঠামো তৈরীর মাধ্যমে নতুন করে গড়ে তুলেন ‘অর্কিড পর্যটন প্রকল্প’। এবার তার অর্কিডে প্রবেশ করতে সেচ্ছাদান হিসেবে ২০ টাকা করে ধার্য করেছেন। প্রতিদিন ওই অর্কিডে প্রেমিক জুটিসহ বন্ধু-বান্ধবসহ ক্লান্ত জীবনের একটু অবকাশ কাটাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়াতে আসছে শহরবাসী এবং জেলার অন্যান্য স্থানের লোকজন। বিশেষ করে ছুটির দিনে বেড়াতে আসা লোকজনের ভিড় বেশী হয়। কেউ যদি অর্কিড রিজার্ভ করে কোন প্রতিষ্ঠান বা পারিবারিক কোন অনুষ্ঠান করতে চায় তবে দিন চুক্তি ৫ হাজার টাকায় বুকিং করতে হয়। আপাতত রাত্রি যাপনের কোন ব্যাবস্থা না থাকলেও ভবিষ্যতে এখনে আবাসিক বাংলোসহ ভ্রমনবিলাসী ও বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য নানা সুযোগ সবিধা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান অর্কিট মালিক আজাহার আলী। বর্তমানে প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৬ টা পর্যন্ত (সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত) অর্কিডে বেড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সন্ধ্যার পর কোন দর্শনার্থীকে ভিতরে থাকতে দেওয়া হয়না।


অবস্থান ও যাতায়াত

শেরপুর জেলা শহর অর্কিড পর্যটন প্রকল্প পর্যন্ত রিক্সা বা ব্যাটারি ও সিএনজি চালিত অটো রিক্সায় যাওয়া যাবে। ভাড়া: শেরপুর থেকে অর্কিড পর্যটন প্রকল্প পর্যন্ত রিক্সা ৬০/- বা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ১২০/- ও সিএনজি চালিত অটো রিক্সায় ১৫০/- যাওয়া যাবে। সিএনজি চালিত অটো রিক্সার জন্য হাসমত এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭২৭ ৫৮০ ৪৯০। রেন্ট-এ কার-এর জন্যে হযরত ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ফোন: ০১৭১৪৯৯০৩৪৭ অথবা সুমন ভাই: ০১৭৩৪১৮৩০৩৫।


Total Site Views: 774226 | Online: 13