×
শেরপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

গজনী অবকাশ কেন্দ্র মধুটিলা রাজার পাহাড় ও বাবেলাকোনা সৌন্দর্যের লীলা ভূমি নেওয়াবাড়ি টিলা পানিহাটা-তারানি পাহাড় কলা বাগান সুতানাল দীঘি কান্দাপাড়া অর্কিড গার্ডেন পর্যটন প্রকল্প ক্যাথলিক খ্রীষ্টানদের তীর্থস্থান বারোমারি ‘সাধু লিউর খ্রীষ্ট ধর্মপল্লি’ সন্ধ্যাকুড়া জিএস রাবার বাগান অপূর্ব স্থাপত্য নিদর্শন ঘাঘড়া খান বাড়ি জামে মসজিদ নয়আনী জমিদার বাড়ি ও রঙ মহল
☰ শেরপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
পানিহাটা-তারানি পাহাড়

পরিচিতি

প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রতিনিয়ত আকর্ষণ করে শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকার অপরূপা পানিহাটা-তারানি পাহাড়। মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি দৃশ্য যে কোন প্রকৃতি প্রেমীর মনকে কাছে টানবে। আর তাই পানিহাটা-তারানি পাহাড়ি এলাকা হয়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। পানিহাটা নামের স্থানটির একটা অংশে রয়েছে তারানি গ্রামের পাহাড়। তাই দর্শণার্থীদের জন্য পানিহাটা-তারানি দুটো মিলেই গড়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র ।


অবস্থান ও যাতায়াত

নালিতাবাড়ী, শেরপুর | শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলা শহর থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার এবং শেরপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নে অবস্থিত এ স্থানটি। তবে ঢাকা থেকে শেরপুর জেলা শহরে না এসেই নকলা উপজেলা শহর থেকেই নালিতাবাড়ী যাওয়ার সহজ ও কম দূরত্বের রাস্তা রয়েছে। এরপর নালিতাবাড়ী শহরের গড়কান্দা চৌরাস্তা মোড় হয়ে সোজা উত্তরে প্রথমে নাকুগাঁও স্থলবন্দরের কাছাকাছি গিয়ে পূর্ব দিকটায় মোড় নিয়ে ভোগাই ব্রিজ পাড়ি দিতে হয়। এরপর সোজা পূর্ব দিকে প্রায় আড়াই থেকে তিন কিলোমিটার গেলে চায়না মোড়। এ মোড়ে এসে আবারও গতিপথ বদলে যেতে হয় উত্তরে। উত্তরের এ রাস্তা ধরে প্রায় এক কিলোমিটার গেলেই পানিহাটা-তারানির মূল পয়েন্ট। ব্যক্তিগত উদ্যোগে রিকশা, সিএনজি অটোরিশা বা ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলেও যাওয়া যায় নালিতাবাড়ী শহর থেকে মাত্র ৩৫-৪৫ মিনিটের ব্যবধানে এবং অল্প খরচের মধ্যেই। এতে মোটরসাইকেল ভাড়া আসা-যাওয়ায় প্রায় ১ শ ৫০ টাকা।


Total Site Views: 1002734 | Online: 6