×
লালমনিরহাট জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

তিন বিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আংগরপোতা ছিটমহল নিদারিয়া মসজিদ তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি তুষভান্ডার জমিদারী বংশ ও জমিদার বাড়ী কাকিনা জমিদারী বংশ ও জমিদার বাড়ী বুড়িমারী স্থলবন্দর ৬ নং সেক্টর বুড়িমারী তিস্তা ব্যারেজ সম্প্রীতির নিদর্শন কালীবাড়ি মন্দির ও মসজিদ
☰ লালমনিরহাট জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
নিদারিয়া মসজিদ

পরিচিতি

নিদারিয়া মসজিদ লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার অন্তর্গত ও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। মসজিদটি লালমনিরহাট জেলার অন্যতম পুরাকীর্তি।নির্মান শৈ্লীর দিক থেকেও এটি অনেক উচুমানের।ভারী ভারী দেয়াল, উচুঁ গম্বুজ, কক্ষের ভেতরের সুন্দর পরিবেশ মসজিদটিকে আলাদা করে রেখেছে।সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কিশামত নগরবন্দ মৌজায় অবস্থিত। নিদারিয়া মসজিদটি একটি প্রাচীন এক কক্ষের মসজিদ। এর অভ্যন্তরে একটি মাত্র কক্ষ আছে। উপরিভাগে তিনটি গম্বুজ রয়েছে। চার কোণায় চারটি পিলার আছে। স্মমুখে একটি প্রবেশদ্বার আছে।মসজিদের সামনেই এক বিরাট ঈদ্গাহ মাঠ আছে।মসজিদের বাম পাশে একটি কবর আছে।কবরটি সর্ম্পকে সঠিক ধারনা পাওয়া না গেলেও অনেকেই মনে করেন কবরটি মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা পীর এ কামেল সুবেদার মনসুর খা এর।এই মসজিদের ১০ একর ৫৬ শতক জমি আছে।এই জমি থেকে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে মসজিদে প্রতি বছর ওয়াজ মাহফিল এর আয়োজন করা হত।বর্তমানে মসজিদের জমিগুলোতে স্থানীয় এক পরাক্রমশালী ব্যক্তি নিজের দখলদারিত্ব স্থাপন করছে।মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে আইনী লড়াই করে যাচ্ছে জমিগুলো উদ্ধার করতে। ১১৭৬ হিজরী সনে সুবেদার মনসুর খা কর্তৃক মসজিদটি নির্মান করা হয়।মসজিদটির নাম নিয়ে একটা মজার কাহিনী প্রচলিত আছে।কথিত আছে মসজিদটির নির্মাতা সুবেদার মনসুর খার মুখে দাড়ি ছিল না ।তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন যে, তার মুখে দাড়ি হলে তিনি একটি মসজিদ তৈরী করে দিবেন পরে দাড়ি হলেও তিনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিনি মসজিদ নির্মান করে দেন।


অবস্থান ও যাতায়াত

ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের বাসে উঠে বড়বাড়ী নামক যায়গায় নামতে হবে।।বড়বাড়ী থেকে যে কোন অটোরিকশা বা ভ্যানে করে যাওয়া যায়।। ঢাকা থেকে লালমনিরহাট আসলে, লালমনিরহাট থেকে আবার অটোরিকশা করে বড়বাড়ী যেতে হবে।


Total Site Views: 848373 | Online: 5