×
পাবনা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎসঙ্গ(আশ্রম-মন্দির) পাকশীস্থ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ক্ষেতুপাড়া জমিদার বাড়ী চাটমোহর শাহী মসজিদ হান্ডিয়াল জগন্নাথ মন্দির তাড়াশ জমিদার ভবন নগরবাড়ি-মোহনগঞ্জ ডলফিন অভয়ারণ্য নাজিরগঞ্জ ডলফিন  অভয়ারণ্য শিলন্দা নাগডেমড়া ডলফিন অভয়ারণ্য
☰ পাবনা জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
নাজিরগঞ্জ ডলফিন  অভয়ারণ্য

পরিচিতি

১ ডিসেম্বর ২০১৩ পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ এলাকার ১৪৬ হেক্টর পদ্মা নদীর অংশ ডলফিন অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা

করা হয়। এসব এলাকায় শুশুক/ ডলফিন ধরা, মারা বা প্রজনন ক্ষেত্র বিনষ্ট করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক বন্য প্রাণীবিষয়ক সংস্থা ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটি (ডব্লিউসিএস) ২০০৬ সালে বাংলাদেশের ডলফিনের

ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ জরিপ করে। a২০০৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সুন্দরবনের নদীগুলোতে ইরাবতি ডলফিন ছিল ৪৫১টি এবং শুশুক ছিল

২২৫টি। পরবর্তীতে সংস্থাটি আলাদাভাবে ইরাবতী ডলফিনের ওপর আরও একটি জরিপ চালায় যা একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করা

হয়। সেই প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশে ইরাবতী ডলফিনের সংখ্যা বিশ্বে সর্বোচ্চ অর্থাৎ ৫ হাজার ৮০০টি। তবে এর আগে ধারণা

করা হতো ভারতের দক্ষিণ উপকূলে সবচেয়ে বেশি ইরাবতী ডলফিনের আশ্রয়স্থল।

ডলফিন রক্ষার জন্য ২০১৭ সালে 'এক্সপ্যান্ডিং দ্য প্রটেকটেড এরিয়া সিস্টেম টু ইনকরপোরেট ইম্পর্ট্যান্ট অ্যাকুয়াটিক ইকোসিস্টেমস

বা গুরুত্বপূর্ণ জলজ প্রতিবেশ ব্যবস্থাপনার জন্য রক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ' শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০১৭ এর ১৮ জুলাই

প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। ইউএনডিপির সহযোগিতায় এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাসিলিটির অর্থায়নে প্রকল্পটি

বাস্তবায়ন করছে বন বিভাগ। আড়াই বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। এই জরিপটি শেষ হলেই জানা যাবে

দেশের শুশুক ও ডলফিনের প্রকৃত সংখ্যা।


অবস্থান ও যাতায়াতঃ

পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন এলাকায় এর অবস্থান।

পাবনা জেলা সদর থেকে সুজানগর উপজেলা পৌঁছে, রিক্সা, CNG নিয়ে এ সব এলাকায় যেতে পারেন। নৌকা নিয়েও নদীতে ভ্রমণ কালে ডলফিন

দেখতে পাওয়া যায়।


Total Site Views: 846060 | Online: 8