×
সিলেট জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

হজরত শাহপারান (রঃ) মাজার জাফলং, পাহাড়, জল পাথরের মিতালী রাতারগুল মিঠাপানির জলাবন "বিছনাকান্দি" পাহাড়ের পাদদেশে অপরূপ পাথরের বিছানা পাহাড়ি মায়া ঝরনাঃ পাংথুমাই খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান (রেইনফরেস্ট) লক্ষণছড়া ও পিয়াইন নদী লালাখাল, জৈন্তিয়াপুর পাথরের তীর্থ ভোলাগঞ্জ হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার মালনি ছড়া চা বাগান লোভাছড়া ঝর্ণা ও চা বাগান সোনাতলা পুরাতন জামে মসজিদ জাকারিয়া সিটি এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা শ্রী চৈতন্যদেবের বাড়ি লাক্কাতুরা চা বাগান লাল শাপলার রাজ্য-ডিবির হাওর
☰ সিলেট জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
পাথরের তীর্থ ভোলাগঞ্জ

পরিচিতি

সিলেট শহর থেকে সোজা উত্তরে তেত্রিশ কিমি দূরত্বে ভোলাগঞ্জ- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাথর কোয়ারী। উত্তরের খাসিয়া পাহাড় থেকে নেমে আসা নদী ধলাই আর পূর্বদিকে ডাউকি থেকে আসা পিয়াইন এর মিলিতধারার পাড়েই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সদর। সিলেট শহর থেকে আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সালুটিকর-ভোলাগঞ্জ সড়ক ধরে ২৭ কিমি এগিয়ে গেলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সদর। সেখান থেকে আরো ৬ কিমি গেলেই দীর্ঘ পাহাড় সারি, ধলাই নদী, দৃশ্যমান ঝর্ণা আর সারি সারি পাথরের তীর্থ ভোলাগঞ্জ। 


১৭৬৫ সালে বৃটিশরা সিলেট দখল করার পর ১৭৭৮ সালে রবার্ট লিন্ডসে কোম্পানীর রেভিনিউ কালেক্টর হিসাবে সিলেট আসেন, বারো বছর এই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভোলাগঞ্জ অঞ্চলে চুনাপাথরের ব্যবসার পত্তন ঘটান। ভোলাগঞ্জ থেকে শুরু করে উত্তরের চেরাপুঞ্জি পর্যন্ত বিস্তৃত পাহাড়্গুলো থেকে চুনাপাথর সংগ্রহ করে নিয়ে আসা হতো ছাতকে, তারপর ছাতক থেকে সুরমা নদী হয়ে এই পাথর চলে যেতো কলকাতায়। এই অঞ্চলের পাথর ব্যবসার লাভ থেকেই লিন্ডসে স্কটল্যান্ড জমিদারী কেনেন, স্যার ও লর্ডস খেতাবে ভূষিত হন। রবার্ট লিন্ডসের আত্নজীবনীতে তৎকালীন পাড়ুয়া, বর্তমানের ভোলাগঞ্জ এলাকার অপার সৌন্দর্য্যের বর্ণনা পাওয়া যায়। বর্ষায় মেঘালয় পাহাড়জুড়ে মেঘের উচ্ছ্বাস, ঝর্ণার ছুটে চলা, নদীর স্রোতধারা, বর্ষাশেষে জেগে উঠা ধলাই’র দীর্ঘ বালিয়াড়ি পর্যটকদের মুগ্ধ করবে।[রহিম শুভ্র]


অবস্থান ও যাতায়াত

সিলেট থেকে মাত্র ৩৩ কিমি হলে ও মুলতঃ রাস্তার অবস্থার কারনে গাড়ী নিয়ে ভোলাগঞ্জ পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় দেড়ঘন্টা। আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে ভাড়ায়চালিত সিএনজি নেবে জনপ্রতি ১২০ টাকা। যারা ট্রেকিং ভালোবাসেন, ভোলাগঞ্জ থেকে পূর্বদিকে দয়ার বাজার, মায়ার বাজার, উথমা, তুরং, উপুর দমদমা, বিত্তরগুল হয়ে চলে যেতে পারেন বিছনাকান্দি পর্যন্ত। মেঘলায় পাহাড়ের নীচ ধরে বেশ কতোগুলো পাহাড়ী ছড়া পাড় হয়ে যেতে যেতে সময় লাগবে ঘন্টা চারেক। দূরত্ব বারো কিমি এর মতো। বিছনাকান্দি থেকে গাড়ী নিয়ে আবার ফিরে আসা যায় সিলেট শহরে।


Total Site Views: 1162531 | Online: 24