×
সিলেট জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান

হজরত শাহপারান (রঃ) মাজার জাফলং, পাহাড়, জল পাথরের মিতালী রাতারগুল মিঠাপানির জলাবন "বিছনাকান্দি" পাহাড়ের পাদদেশে অপরূপ পাথরের বিছানা পাহাড়ি মায়া ঝরনাঃ পাংথুমাই খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান (রেইনফরেস্ট) লক্ষণছড়া ও পিয়াইন নদী লালাখাল, জৈন্তিয়াপুর পাথরের তীর্থ ভোলাগঞ্জ হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার মালনি ছড়া চা বাগান লোভাছড়া ঝর্ণা ও চা বাগান সোনাতলা পুরাতন জামে মসজিদ জাকারিয়া সিটি এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা শ্রী চৈতন্যদেবের বাড়ি লাক্কাতুরা চা বাগান লাল শাপলার রাজ্য-ডিবির হাওর
☰ সিলেট জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
"বিছনাকান্দি" পাহাড়ের পাদদেশে অপরূপ পাথরের বিছানা

পরিচিতি

‘বিছনাকান্দি’মূলতঃ জাফলং এর মতোই একটি পাথর কোয়ারী। পাথরের বিছানা, ভারত-বাংলাদেশ সীমানায় অবস্থিত এই পাথুরে স্রোতের ঝিরি। স্থানীয়ভাবে যা বিসনাখান্দি বা, কুয়েরি গাং নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে খাসিয়া পাহাড়ের অনেকগুলো ধাপ দুই পাশ থেকে এক বিন্দুতে এসে মিলেছে। পাহাড়ের খাঁজে রয়েছে সুউচ্চ ঝর্ণা। ভ্রমণবিলাসীদের জন্য এই স্পটের মূল আকর্ষণ হলো পাথরের উপর দিয়ে বয়ে চলা পানিপ্রবাহ। তাছাড়া বর্ষায় থোকা থোকা মেঘ আটকে থাকে পাহাড়ের গায়ে, মনে হতে পারে মেঘেরা পাহাড়ের কোলে বাসা বেঁধেছে। পূর্ব দিক থেকে পিয়াইন নদীর একটি শাখা পাহাড়ের নীচ দিয়ে চলে গেছে ভোলাগঞ্জের দিকে। সব মিলিয়ে পাহাড়, নদী, ঝর্ণা আর পাথরের এক সম্মিলিত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই বিছনাকান্দি। বিছনাকান্দির পাথুরে বিছানার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া স্বচ্ছ, শীতল পানির স্রোতে ভাসতে ভাসতে যে কেউ নিজেকে পৃথিবীর সবচে সুখী মানুষ বলে ভাবতেই পারে! উত্তাল জল তরঙ্গের নিচে স্রষ্টার নিপুন হাতে বসানো বাহারি রঙের পাথরগুলো কেঁপে উঠে স্রোতের শরীরে মিশে, টলটলে বরফ শীতল পানির স্পর্শ যে দেহে-মনে কতটা প্রশান্তি এনে দেয়, সেটা সিলেটের বিছানাকান্দি না গেলে কারো বিশ্বাস হবে না। প্রকৃতি যেখানে তার জমিনের বুকে অকৃপণ হাতে বিছিয়ে দিয়েছে ভ্রমণের উপযুক্ত সময়: জুন থেকে সেপ্টেম্বর, বিশেষত বৃষ্টি ও বর্ষায় বিছনাকান্দি সবচেয়ে বেশি মনোরম ও দৃষ্টিনন্দন। শুকনো মৌসুম ও শীতকালে ভারী যন্ত্র ব্যবহার করে পাথর উত্তোলন- সেই সাথে পাথরবাহী নৌকা, ট্রাকের উৎপাতের কারণে পর্যটকদের জন্য এসময় উপযুক্ত নয়। কিন্তু বর্ষায় এইসব থাকেনা বলে পাহাড়, নদী, ঝর্ণা, মেঘের সমন্বয়ে বিছনাকান্দি হয়ে উঠে এক অনিন্দ্য সুন্দর গন্তব্য। হাদারপার খেয়াঘাট থেকে নৌকায় চেঁপে মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে বিছানাকান্দির জল পাথরের বিছানার দিকে যতই এগিয়ে যাবেন ততই তার সৌন্দর্যছটা যেন উপচে বের হয়ে আসতে থাকবে। সঙ্গে মিলেমিশে একাকার নদীর এপার আর ওপারের অপার সৌন্দর্য যা আপনাকে দু হাত প্রসারিত করে আলিঙ্গন করবে সব সয়মই। এভাবেই ঠিক পনের মিনিট পর পৌঁছে যাবেন বিছানাকান্দি। দিনটি যদি হয় মেঘাবৃত আকাশ আর বৃষ্টিঝরা, তাহলে আপনি খুবই সৌভাগ্যবান! কারন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন এখানে আকাশে মেঘের কোলে হেলান দিয়ে পাহাড় যেন ঘুমিয়ে আছে নিশ্চিন্তে। বিছানাকান্দির এমন সৌন্দর্য বরষা চলে গেলে বা পানি কমে গেলে আর থাকেনা। তখন এটা হয়ে যায় একটা মরুদ্যান। পাথর বহন করার জন্য এখানে চলে অজস্র ট্রাক আর ট্রাকটর। সুতরাং অক্টোবর পর্যন্ত বিছানাকান্দি যাবার মোক্ষম সময়। তবে বর্ষায় পাহাড়ি ঢল থাকে বলে পিয়াইন নদীতে এ সময়ে মূল ধারায় স্রোত অনেক শক্তিশালী হয়ে ওঠে, পানির প্রবাহ বেড়ে যায় কয়েকগুন । তাই বিছানাকান্দি যাওয়ার পথে ছোট নৌকা পরিহার করা উচিত। ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে বেড়াতে চেষ্টা করুন। এছাড়া এখানকার নৌকাগুলোতে লাইফ জ্যাকেট থাকে না। তাই যারা সাঁতার জানেন না, সঙ্গে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট নিয়ে নিবেন। আর যারা সাঁতার জানেন তারাও সাবধান, কারণ প্রচন্ড স্রোতে আপনি পাথরে আঘাত পেতে পারেন, কারণ মাঝে মাঝে পাথর খুবই পিচ্ছিল। বিছানাকান্দির বিছানা বাংলাদেশ আর ভারত মিলিয়ে। স্বাভাবিক ভাবে সীমানা চিহ্ণিত করা নেই এখানে। জায়গাটিতে তাই সাবধানে বেড়ানো উচিৎ। বাংলাদেশ অংশ ছেড়ে ভারত অংশে চলে যাওয়া মোটেই নিরাপদ নয়। তবে দিনটা যদি হয় শুক্র বা সোমবার, তাহলে ভাববেন কপাল খুলে গেছে আপনার। সকাল দশটা থেকে চারটার ভিতর যেতে পারবেন ভারতে, সীমান্তে হাট বসে তখন। খেতে পারবেন ভারতীয় ফলমূল, কেনেকাটা করতে পারবেন রকমারি জিনিসপত্র।হাদারপার খেয়াঘাট থেকে নৌকায় চেঁপে মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে বিছানাকান্দির জল পাথরের বিছানার দিকে যতই এগিয়ে যাবেন ততই তার সৌন্দর্যছটা যেন উপচে বের হয়ে আসতে থাকবে। সঙ্গে মিলেমিশে একাকার নদীর এপার আর ওপারের অপার সৌন্দর্য যা আপনাকে দু হাত প্রসারিত করে আলিঙ্গন করবে সব সয়মই। এভাবেই ঠিক পনের মিনিট পর পৌঁছে যাবেন বিছানাকান্দি। দিনটি যদি হয় মেঘাবৃত আকাশ আর বৃষ্টিঝরা, তাহলে আপনি খুবই সৌভাগ্যবান! কারন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন এখানে আকাশে মেঘের কোলে হেলান দিয়ে পাহাড় যেন ঘুমিয়ে আছে নিশ্চিন্তে। বিছানাকান্দির এমন সৌন্দর্য বরষা চলে গেলে বা পানি কমে গেলে আর থাকেনা। তখন এটা হয়ে যায় একটা মরুদ্যান। পাথর বহন করার জন্য এখানে চলে অজস্র ট্রাক আর ট্রাকটর। সুতরাং অক্টোবর পর্যন্ত বিছানাকান্দি যাবার মোক্ষম সময়। তবে বর্ষায় পাহাড়ি ঢল থাকে বলে পিয়াইন নদীতে এ সময়ে মূল ধারায় স্রোত অনেক শক্তিশালী হয়ে ওঠে, পানির প্রবাহ বেড়ে যায় কয়েকগুন । তাই বিছানাকান্দি যাওয়ার পথে ছোট নৌকা পরিহার করা উচিত। ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে বেড়াতে চেষ্টা করুন। এছাড়া এখানকার নৌকাগুলোতে লাইফ জ্যাকেট থাকে না। তাই যারা সাঁতার জানেন না, সঙ্গে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট নিয়ে নিবেন। আর যারা সাঁতার জানেন তারাও সাবধান, কারণ প্রচন্ড স্রোতে আপনি পাথরে আঘাত পেতে পারেন, কারণ মাঝে মাঝে পাথর খুবই পিচ্ছিল। বিছানাকান্দির বিছানা বাংলাদেশ আর ভারত মিলিয়ে। স্বাভাবিক ভাবে সীমানা চিহ্ণিত করা নেই এখানে। জায়গাটিতে তাই সাবধানে বেড়ানো উচিৎ। বাংলাদেশ অংশ ছেড়ে ভারত অংশে চলে যাওয়া মোটেই নিরাপদ নয়। তবে শুক্র বা সোমবার সকাল দশটা থেকে চারটার ভিতর যেতে পারবেন ভারতে, সীমান্তে হাট বসে তখন। খেতে পারবেন ভারতীয় ফলমূল, কেনেকাটা করতে পারবেন রকমারি জিনিসপত্র।


অবস্থান ও যাতায়াত

বর্ষাকালে- সড়কযান ও নৌযানের সমন্বয়ে। শুকনো মৌসুমে- সড়কযান ব্যবহার করে। বিছনাকান্দি পর্যন্ত গাড়ী পৌছায় না। সিলেট এর যেকোন স্থান থেকে বিশেষত আম্বরখানা থেকে হাদারপাড় পর্যন্ত ভাড়ায় সিএনজি পাওয়া যায়। বিছনাকান্দি যাওয়ার একাধিক পথ থাকলেও সুবিধাজনক পথটি হলো বিমানবন্দরের দিকে এগিয়ে ডানে মোড় নিয়ে সিলেট- কোম্পানীগঞ্জ রোডে সালুটিকর, সালুটিকর থেকে এগিয়ে ডানে মোড় নিয়ে বঙ্গবীর, বঙ্গবীর থেকে কিছুদূর গিয়ে বামে মোড় নিয়ে হাদারপাড় বাজার। হাদারপাড় বিছনাকান্দির একেবারেই পাশে। এখান থেকে স্থানীয় নৌকা নিয়ে বিছনাকান্দি যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।[টুটুল, রহিম শুভ্র]


Total Site Views: 642066 | Online: 4