পেজ ভিজিট: ২৬,৮৩,৭৩৩ | অনলাইন: ১৮
English
বিভাগ অনুসারে দেখুন

শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা ও রিসোর্ট


জেলার ভিডিও দেখুন
Card image cap

প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি

Card image cap

ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর

Card image cap

সাত মঠ / সাত মন্দির

Card image cap

শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার ও জহির রায়হানের পৈতৃক বাড়ি

Card image cap

শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা ও রিসোর্ট

Card image cap

বিলোনিয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ


পরিচিতি

ফেনীর ছাগলনাইয়াতে ভারতীয় সীমান্তের কাছে চম্পকনগর ও সোনাপুরে স্থাপন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘শমসের গাজী রিসোর্ট’। সম্পূর্ণ বাঁশের তৈরি রিসোর্টে রয়েছে থাকা ও খাওয়ার সুব্যবস্থা। রয়েছে ফেনী নদী ভ্রমণে ব্যবস্থা হিসেবে আধুনিক জলযান। বাঁশের কেল্লাটিকে অত্যন্ত অভিনব দৃষ্টিনন্দন করে নির্মাণ করা হয়েছে। মাটি ও মানুষের কাছে থেকে ইতিহাস দেখার একটা ব্যবস্থা বটে। রিসোর্টের আঙিনায় স্থাপন করা হয়েছে শিল্পীর কল্পনায় আঁকা শৈল্পিক ঝরনা। খড়ের বেড়া, বাঁশের খুঁটি, ছনের চাল ব্যবহার করে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নিপুনভাবে। শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা রিসোর্ট। শমসের গাজী বেশ কয়েকটি সম্মুখযুদ্ধে স্থানীয় জমিদার ও পরে আগরতলা মহারাজকে পরাজিত করে ত্রিপুরা সিংহাসনে বসেন। ১৭৫০ থেকে ১৭৬১ সাল পর্যন্ত। মাত্র ১১ বছরে তিনি ফেনী ও সনি্নহিত এলাকায় প্রজাদের সুবিধার্থে খনন করেন বেশ কয়েকটি দীঘি, নির্মাণ করেন রাস্তাঘাট । সেযুগে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ দেয়ার চিন্তা চিলো খুবই দু:সাহসী এবং সুদূর প্রসারী। ছাগলনাইয়া সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে ও পুরাতন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শুভপুর বাজার থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত চম্পকনগর গ্রাম। এখানেই তিনি গড়ে তোলেন রাজপ্রাসাদ ও দরবার হল। ১৭৬১ সালে ইংরেজ ও ত্রিপুরা রাজের ষড়যন্ত্রে নিহত হন শমসের গাজী। আজও চম্পকনগর পাহাড়ে তার প্রাসাদের ভগ্নাংশ দেখতে পাওয়া যায়। শমসের গাজীর বংশধররা আজও ওই এলাকার সোনাপুর গ্রামে বাস করছেন। শমসের গাজী ত্রিপুরা জয় করার পর রাজধানী আগরতলা থেকে উদয়পুরে নিয়ে আসেন। সত্যিকার অর্থে তিনি রাজকাজ চালাতেন ফেনীর ছাগলনাইয়ার রঘুনন্দন পাহাড়ের পাদদেশে চম্পকনগর গ্রাম থেকে। । রাজত্বকালে শমসের গাজী রঘুনন্দন পাহাড়ের পাদদেশে চম্পকনগরে ২০ কানি ৩২ হাজার শতক জমি নিয়ে রাজপ্রাসাদ স্থাপন করা হয়। প্রাসাদের চারপাশে খন্দক খণন করা হয় নিরাপত্তার জন। শমসের গাজীর প্রাসাদের দক্ষিণ পাশে চারটি পাহাড়কে পাড় বানিয়ে ওই পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে তৈরি করা হয় রাজপ্রাসাদের ব্যবহারের উপযোগী একটি দৃষ্টিনন্দন দীঘি। এ দীঘি দর্শনার্থীদের মন আজও ভুলিয়ে দেয়। পাহাড়ের ভেতর সুড়ঙ্গ কেটে তৈরি করা হয় রানীদের দিঘীতে যাতায়াতের পথ। এটি এখনো শমেসের গাজীর সুড়ঙ্গ নামে পরিচিত। দীঘির অর্ধেক অংশ এখন বাংলাদেশের, অর্ধেক ভারতে অবস্থিত। স্থানীয় মানুষদের দাবী হলো দিঘী ও তৎসংলগ্ন এলাকাকে ভারতের কাছ থেকে পুরোটাই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রনে আনার দাবী জানান স্থানীয় অধিবাসীরা। শমসের গাজী খাল কেটে বাঁকা নদীকে সোজা করেন। আজও নদীর এ স্থানকে কাটাগঙ্গা ও মরাগঙ্গা নামে অভিহিত করা হয়। ফেনীর ছাগলনাইয়ার চম্পকনগর ও জগন্নাথ সোনাপুরের বর্তমান ভারত সীমান্ত এলাকাটি শমসের গাজীর স্মৃতি বিজড়িত স্থান। এখানে রয়েছে শমসের গাজীর সুড়ঙ্গ, শমসের গাজীর দীঘি এবং আরও অনেক কিছু। তবে তার প্রাসাদসহ অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ ভারতের ত্রিপুরার মধ্যে ভাগ হয়ে রয়ে গেছে। শমসের গাজীর তৈরি দুর্গটি এখন বিলুপ্ত। কিন্তু সেখানে তার স্মৃতিবিজড়িত অনেক কিছুই রয়ে গেছে। তার তৈরি কৈয়্যারা দিঘী,গুপ্ত সুড়ঙ্গ ইত্যাদি রয়ে গেছে। কিছু কিছু স্থাপত্য এখন পাশে ভারতের সীমান্তের ওপারে ত্রিপুরা রাজ্যে রয়ে গেছে। বর্মানে তার স্মৃতিকে ধরে রাখতে সেখানে শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা রিসোর্টস নামক পর্যটন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। অনেক পর্যটকই সেখানে ভ্রমন করেন। স্থানীয়রা জানান, সরকার উদ্যোগ নিলে চম্পকনগর ও সোনাপুর গ্রামের অতীত ইতিহাসের অনেক নিদর্শন উদ্ধার করা সম্ভব হবে। এর মাটির নিচে রয়েছে অনেক মূল্যবান অলঙ্কার ও যুদ্ধাস্ত্র। শমসের গাজী ছিলেন একজন ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী এবং ত্রিপুরার রোশনাবাদ পরগনার কৃষক বিদ্রোহের নায়ক।ব্রিটিশ ঐপনিবেশিক শক্তির আগ্রাসন প্রতিহত করতে গিয়ে মৃত্যু বরণ করেন তিনি ভাটির বাঘ বলে পরিচিত। শমসের গাজী নবাব সিরাজুদ্দৌলার পর তিনিই ঔপনিবেশিক শক্তির হাতে প্রথম নিহত হন। বি:দ্র: শমশের গাজী আমাদের পূর্ব পূরুষ তাই তাঁর সম্মানার্থে “শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা রিসোর্ট” তাঁরই জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে- বাঁশের কেল্লা (মালিক): ০১৭১৩ ৪৫৯৭১০ [তথ্যসূত্র: ফেসবুক পেজ]

অবস্থান ও যাতায়াত

ছাগলনাইয়া সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে ও পুরাতন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শুভপুর বাজার থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত চম্পকনগর গ্রাম।

বিজ্ঞাপন - অনলি টুটুল

Like My Facebook

সর্বশেষ

মিরিঞ্জা ভ্যালি

বান্দরবান ,চট্রগ্রাম

21 Nov 2024

সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা

সিলেট ,সিলেট

11 Jan 2024

চেয়ারম্যান ঘাট

নোয়াখালী ,চট্রগ্রাম

10 Jan 2024

নলচিড়া ঘাট, হাতিয়া

নোয়াখালী ,চট্রগ্রাম

09 Jan 2024

ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক

নোয়াখালী ,চট্রগ্রাম

07 Jan 2024

যোগীর ভবন

বগুড়া ,রাজশাহী

06 Jan 2024 | ভিডিও দেখুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী ,রাজশাহী

05 Dec 2023

মা ভবানী মন্দির

বগুড়া ,রাজশাহী

04 Dec 2023 | ভিডিও দেখুন

ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক

বগুড়া ,রাজশাহী

22 Aug 2023 | ভিডিও দেখুন

বাঘা মসজিদ

রাজশাহী ,রাজশাহী

03 Jul 2023

Creating Document, Do not close this window...